পাকিস্তানে ফের জোর করে ধর্মান্তকরণ, এবার শিকার খ্রিস্টান কিশোরী
শিখ তরুণীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার ঘটনার পর আবারও প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে।
শিখ তরুণীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার ঘটনার পর আবারও প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটল পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে। এবার ১৫ বছরের এক খ্রিস্টান তরুণীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করানোর অভিযোগ উঠেছে। কিশোরীর শিক্ষকই এই কাণ্ড ঘটিয়েেছন বলে অভিযোগ।

পাঞ্জাব প্রদেশে ফের ধর্মান্তকরন করানোর ঘটনা। এবার এক খ্রিস্টান কিশোরীকে জোর করে ধর্মান্তরিত করলেন তাঁরই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা। এমনই অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের লোকেরা। পাঞ্জাবের শেইখপুরা শহরে একটি সেমিনারিতে পড়াশোনা করত কিশোরী। পরিবারের অভিযোগ সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সেলিমা বিবিই তাঁকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে বাধ্য করেছে।
ফইরা নামে ওই কিশোরীর বাবার অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করা হয়েছে। এই নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের করেছেন তিনি। ঘটনাটি পঞ্জাব প্রদেশের মন্ত্রীর কাছেও জানিয়েছেন তিনি। ফইরার বাবার অভিযোগ তাঁর মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ। ধর্মান্তরিত করার পর ফইরার নাম পরিবর্তিত করে ফৈজা রাখা হয়েছে। সোমবার এই ঘটনার পর বুধবার কিশোরীকে উদ্ধার করে পুলিস। তারপর তাঁকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এর আগে পাঞ্জাব প্রদেশেই এক হিন্দু তরুণীরে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করে বিয়ে করার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তরুণীকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকেদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।
গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় ধর্মান্তকরণের ঘটনা প্রকাশ্যে এলো। হিন্দু শিখ তরুণীকে ধর্মান্তরিত করার ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল ভারতও। এই নিয়ে কূটনৈিতক পর্যায়ে আলোচনা পর্যন্ত হয়েছিল। তারপরেই ইমরানের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications