Nepal Plane Crash: আর কেউ বেঁচে নেই বিমানের, ৬৯ জনের দেহ উদ্ধার ঘটনাস্থলে
Nepal Plane Crash: আর কেউ বেঁচে নেই বিমানের, ৬৯ জনের দেহ উদ্ধার ঘটনাস্থলে
নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আর কেউ বেঁচে নেই। এখনও পর্যন্ত ৬৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। জানিয়ে দিলেন নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কৃষ্ণ প্রসাদ ভান্ডারি। মৃতদের তালিকায় ১৫ জন বিদেশীও রয়েছেন। তার মধ্যে ৫ জন ভারতীয়। গতকাল সকাল ১১টা নাগাদ নেপালের পোখরি বিমানবন্দরে অবতরণের ১০ সেকেন্ড আগে সেতি নদীর তীরে ভেঙে পড়ে ইয়েতি বিমান সংস্থার বিমানটি। কাঠমাণ্ডু থেকে পোখরা যাচ্ছিল বিমানটি।

জীবিত কেউ নেই
নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর আর কেউ বেঁচে নেই। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ধরে উদ্ধার প্রক্রিয়া চালানোর পর ৬৯ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তারপরেই নেপাল সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানিয়ে দিয়েছে আর কেউ বেঁচে নেই সেই বিমানের। কারোর জীবিত থাকার সম্ভাবনাও নেই। নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় ৫ জন ভারতীয়েরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাঠমান্ডু থেকে বিমানটি পোখরা যাচ্ছিল। পোখরা বিমানবন্দরে অবতরণের ঠিক আগের মুহূর্তে সেটি ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার পরেই তাতে আগুন ধরে যায়।

ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা নেপালে
ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা দেখল নেপাল। পোখরা বিমানবন্দরের অবতরণের ঠিক আগের মুহূর্তে ভেঙে পড়ল ইয়েতি এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। তাতে মোট ৭২ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আর কেউ সেই বিমানে বেঁচে নেই জানিয়ে দিয়েছে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র। গতকাল সতাল ১১টা নাগাদ সেতি নদীর তীরে বিমানটি ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাতে আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারপরে তাতে হাত লাগায় সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন।

কেন দুর্ঘটনা
বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি না পাইলটের অদক্ষতা কোন কারণে এই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে পাইলটের দক্ষতার অভাবের কারণেই অবতরণের ঠিক আগের মুহূর্তে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আবার একাংশের দাবি বিমানে পুরনো যন্ত্রাংশের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ১৫ বছর আগে ইতালির বিমানসংস্থা লিওনার্দো এবং এয়ারবাসের যৌথ উদ্যোগে বিমানটি তৈরি হয়েছিল। তাতে দুটি ইঞ্জিন ছিল। যন্ত্রাংশ পুরনো হয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই উদ্বোধন
গত ১ জানুয়ারি পোখরার নতুন বিমান বন্দরের উদ্বোধন করা হয়েছিল। তার ১৫ দিনের মধ্যেই সেই বিমানবন্দরের কাছেই এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা। কীভাবে বিমানটি ভেঙে পড়ল তার কারণ নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে জানা গিয়েছে পোখরা বিমানবন্দরের কাজ শেষ হওয়ার আগেই সেটি খুলে দেওয়া হয়েছে। একটি চিনা সংস্থা বিমানবন্দরটি তৈরি করেছিল। কাজেই সেই কারণেও দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications