আমেরিকা থেকে আসছে ৩০০০ 'স্বেচ্ছাযোদ্ধা', রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের হয়ে লড়াইয়ে পরিকল্পনা
আমেরিকা থেকে ৩০০০ 'স্বেচ্ছাযোদ্ধা' রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করবে
রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ করার পরই সারা বিশ্বের কাছে তাদের সাহায্য করার জন্য আবেদন করেছিলেন ভলদোমির জেলেনস্কি। তিনি বিশ্বের প্রতিটি প্রান্ত থেকে স্বেচ্ছাযোদ্ধাদের আমন্ত্রণ করেছিলেন যারা ইউক্রেনের হয়ে লড়াই করতে প্রস্তুত৷ এবার জেলেনস্কির আবেদন শুনেই আমেরিকা থেকে ৩০০০ স্বেচ্ছাযোদ্ধা ইউক্রেন আর্মির হয়ে লড়াইে অংশ গ্রহণ করতে আসছে বলে জানা গিয়েছি।

সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদ, স্বেচ্ছাযোদ্ধারা একটি আন্তর্জাতিক ব্যাটালিয়নে কাজ করার জন্য ইউক্রেনের আবেদনে সাড়া দিয়েছেন যা আক্রমণকারী রুশ বাহিনীকে প্রতিহত করতে সহায়তা করবে। তবে শুধু আমেরিকায় নয়, আরও অনেকেই ইউক্রেনের পক্ষ নিয়েছে, অন্যান্য দেশ থেকেও অনেকে এগিয়ে এসেছেন যাদের মধ্যে সোভিয়েত ভেঙে বেরিয়ে আসা রাজ্য যেমন জর্জিয়াও রয়েছে।
সম্প্রতি কূটনীতিবিদরা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি ১৬ হাজার বিদেশী স্বেচ্ছাসেবকদের একটি আন্তর্জাতিক সৈন্যদল গঠনের ঘোষণা করার পর থেকেই এই ধরণের স্বেচ্ছাযোদ্ধা হওয়ার ঘটনাগুলি ঘটেছে। ইউক্রেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বিশ্বের প্রতিরক্ষায় যোগ দেবে এরকম বিষয়ের উল্লেখ করেছে রাষ্ট্রপতি জেলেনস্কি বলেছেন, আমাদের নিজেদের স্বাধীনতা ছাড়া আর কিছুই হারানোর নেই।প্রসঙ্গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করেছে এরপরই ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বিদেশী স্বেচ্ছাযোদ্ধাদের সাহায্য চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন।
পাশাপাশি, পশ্চিমের দেশগুলো সরাসরি ইউক্রেনের মাটিতে যুদ্ধের জন্য সৈন্য পাঠাচ্ছে না। বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে অস্ত্র সরবরাহ করছে।
প্রসঙ্গত, ইউক্রেনের জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ইউরোপের বৃহত্তম এবং সারা বিশ্বে নবম বৃহত্তম। শুক্রবার ভোররাতে এটিতে হামলার ঘটনা ঘটে। রাশিয়ান সেনাবাহিনী জাপোরিঝিয়া এনপিপি-তে গুলি চালিয়েছে। রাশিয়া ছাড়া কোনো রাষ্ট্র কখনো পারমাণবিক শক্তি ইউনিটগুলিতে গুলি চালায়নি। মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনও দেশ পারমানবিক কেন্দ্রে হামলা চালালো বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।












Click it and Unblock the Notifications