এখনও আফগানিস্তানে আটকে ২০০ মার্কিনি, দেশ ছাড়তে মরিয়া হাজার হাজার আফগান! বলছেন ব্লিনকেন
এখনও আফগানিস্তানে আটকে ২০০ মার্কিনি, দেশ ছাড়তে মরিয়া হাজার হাজার আফগান! বলছেন ব্লিনকেন
তালিবানদের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই আফগানিস্তানের মাটি ছাড়ল মার্কিন সেনা। ঘড়ির কাঁটায় ঠিক যখন রাত ১১.৫৯। ক্যালেন্ডারের পাতায় ৩১ অগাস্ট পড়ার আগেই আমেরিকার শেষ বিমান আফগান মাটি ছাড়ে বলে জানা যায়। এদিকে এখনও আফগানিস্তানের মাটিতে আটকে বহু বিদেশি নাগরিক। রয়েছেন প্রায় ২০০ মার্কিন নাগরিক। কিন্তু মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর সেই সমস্ত বিপর্যস্ত মার্কিনি তথা অন্যান্য দেশের নাগরিকদের নিয়ে ক্রমেই বাড়ছে আশঙ্কা।

আটকে রয়েছেন ২০০ মার্কিনি
এদিন এই বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগের কথা শোনাতে দেখা যায় মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিনকেন। তাঁর দাবি এখনও আফগানিস্তানের মাটিতে আটকে রয়েছেন ২০০-র বেশি মার্কিন নাগরিক। এদিকে গত কয়েকদিনে ১ লক্ষ ২৩ হাজার মানুষকে আফগানিস্তান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ডিফেন্স সেক্রেটারি। অন্যদিকে বর্তমানে কাতারের মার্কিন এয়ারবেসে ৬০ হাজার আফগান শরণার্থী অপেক্ষারত রয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।

কাজ চালিয়ে যাবে আমেরিকা
সেদেশে আটকে থাকা মানুষদের উদ্ধারের জন্য এখনও মার্কিন সেনা কাজ করে যাবে বলে জানান ব্লিনকেন। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই স্বদেশে দ্রুত ফেরার জন্য মার্কিন সরকারের কাছে দরবার করে চলেছেন ১০০ জনের বেশি নাগরিক। এদিকে সেনার পাশাপাশি কাবুল থেকে সমস্ত কূটনীতিবিদদেরও প্রত্যাহার করে নিয়েছে আমেরিকা। পরবর্তীতে কাতারের দোহা থেকে মিশন চালু রাখবে আমেরিকা, এমনটাই জানান মার্কিন বিদেশ সচিব।

কী বলছেন ব্লিনকেন
অন্যদিকে সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরও যারা অন্যান্য যে সমস্ত দেশের নাগরিক ও আফগানরা আফগানিস্তান ছাড়তে চায়, তাদের সাহায্যে ওয়াশিংটন 'নিরলস' প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন ব্লিনকেন। এই প্রসঙ্গে ব্লিনকেন বলেন. "আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। মার্কিন নাগরিক, বিদেশি নাগরিক ও আফগানরা, যারা যারা দেশটি ছাড়তে চায়, তাদের সহায়তায় আমরা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব,"।

তালিবানি চাপের মুখেই সেনা প্রত্যাহার
অন্যদিকে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন উপস্থিতি প্রত্যাহারের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিন তালিবানেরা। যদিও আগের সময়সূচি অনুযায়ী তা ছিল ১২ সেপ্টেম্বর। কিন্তু তালিবানি চাপের মুখে পড়ে তার আগেই যুক্তরাষ্ট্র তার সেনা প্রত্যাহার করেছে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সমস্ত কূটনীতিকদেরও। এদিকে মার্কিন সেনা আফগানিস্তান ছাড়তেই কার্যত বিজয়োল্লাতে মেতেছে তালিবরা।












Click it and Unblock the Notifications