এক সঙ্গে দশ মিসাইল ছুঁড়ল কিমের কোরিয়া, উত্তর দিল দক্ষিণও
একটা নয়, দশ দশটা মিসাইল ছুঁড়েছে উত্তর কোরিয়া। এমনটাই খবর সূত্রের। ওই দশটির মধ্যে একটি অবতরণ করে দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমার কাছাকাছি। 'প্রকৃতপক্ষে এটি একটি আঞ্চলিক আক্রমণ' এমনটাই বলেছেন, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল।

বিমান হামলা
বিমান হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছিল উল্লেউংডো অঞ্চলের জন্য। এই সতর্কতা দেখানো হয় জাতীয় টেলিভিশনে। এর পরেই ওই এলাকার যারা বাসিন্দা রয়েছেন তাঁদের 'নিকটবর্তী ভূগর্ভস্থ আশ্রয়ে সরে যেতে' বলা হয়। জানা গিয়েছে যে উত্তর সীমারেখা অতিক্রম করেছে স্বল্প পরিসরের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। প্রকৃত সামুদ্রিক সীমানা রয়েছে এই সীমারেখা দুই দেশের মধ্যে। সেখানেই দেওয়া হয় এই সতর্কতা।

সতর্কতা জারি
তবে এই যে সতর্কতা জারি করা হয় উল্লেউংডো দ্বীপের বাসিন্দাদের জন্য এবং বাঙ্কারে আশ্রয় নেওয়ার কথা বলা হয় তা অত্যন্ত বিরল ঘটনা বলে জানা যাচ্ছে। শেষবার এমনটা হয়েছিল ১৯৫৩ সালে। সামরিক বাহিনী বলেছে যে কোরিয়ান যুদ্ধের শেষে এমনটা হয়েছিল। প্রথমবার' উত্তর কোরিয়ার উপদ্বীপ ভাগ হওয়ার পরে ক্ষেপণাস্ত্র দক্ষিণের আঞ্চলিক জলসীমার এত কাছাকাছি অবতরণ করল।

সামরিক বাহিনী
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে কাছে যে ক্ষেপণাস্ত্রটি অবতরণ করেছে তা দক্ষিণ কোরিয়ার মূল ভূখণ্ডের মাত্র ৫৭ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রের জলে। দক্ষিণ কোরিয়াও জবাব দিতে ছাড়েনি। তারা বুধবার উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের জবাব দিতে পরীক্ষা চালিয়েছে আকাশ থেকে সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র।

ক্রুজ মিসাইল টেস্ট
অক্টোবর মাসেও ক্রুজ মিসাইল টেস্ট করেছিল উত্তর কোরিয়া। বরাবরই তাঁরা নানা কাজ করে থাকে যা অশান্তির বার্তা দেয়। পরমাণু অস্ত্র বহনের সক্ষম ছিল ওই ক্রুজ মিসাইল। এটি ২,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ অতিক্রম করতে সক্ষম ছিল। ওই পরীক্ষার ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অশান্তির কাল মেঘে ভরতি আশঙ্কা ফের বৃদ্ধি পেয়েছিল তখনই। আর এবার একদম দশটি মিসাইল ছুঁড়ল উত্তর কোরিয়া।
উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম তখনই বলেছিল যে, "দু'টি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হয়েছে পরমাণু হামলার ক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে। ক্ষেপণাস্ত্র দু'টি আঘাত হেনেছে সমুদ্রের উপর দিয়ে ২,০০০ কিলোমিটার আকাশপথ পাড়ি দিয়ে টার্গেট করা লক্ষ্যে। সেপ্টেম্বরেও বেশ কতগুলি এমন মিসাইল টেস্ট করেছিল তাঁরা। ওই মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই উত্তর কোরিয়া একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পরীক্ষা করে। জানা যায় যে আগেও যত এমন মিসাইল নিয়ে পরীক্ষা হয়েছে ততবার উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট স্বয়ং কিম জং উন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার সমস্ত তদারকি করেছেন পুরো প্রক্রিয়া।"












Click it and Unblock the Notifications