Turkey earthquake: সবে চোখ ফুটেছে! ধ্বংসস্তুপ সরাতেই মিলল ১০ দিনের শিশুর খোঁজ
মিরাক্কেলের আশায় দিন-রাত এক করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। আর তাতে যদি আশার আলো দেখা যাক তাহলে তো কথাই নেই। তেমনই দীর্ঘ ১০০ ঘন্টার উদ্ধার কাজে একাধিক জীবন্ত প্রাণকে উদ্ধার অন্ধকারেও আশার আলো
ভয়ঙ্কর ভূমিকম্পে কার্যত ধুলোয় মিশে গিয়েছে তুরস্ক! কার্যত একই অবস্থা সিরিয়ার। ইতিমধ্যে দুই দেশে মৃতের সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে যত সময় গড়াচ্ছে ততই ক্ষীণ হচ্ছে ধ্বংসস্তুপের মধ্যে প্রাণের আশা। তবে এর মধ্যেও ঘটছে একের পর এক মিরাক্কেল।
গত কয়েকদিন আগেই তুরস্কের ধ্বংসস্তুপের মধ্যে থেকে জীবিত অবস্থায় ভাই-বোনকে উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল। ইতিমধ্যে সেই ছবি ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে। যেখানে দেখা যাচ্ছে মাত্র ৭ বছরের দিদি তাঁর ভাইয়ের মাথা আগলে রেখেছে। আর ওই ছবি দেখে একেবারে হৃদয় কেঁপে উঠছে বিশ্ববাসীর।

ধ্বংসস্তুপের মধ্যে উদ্ধার দুই প্রাণ
আর এর মধ্যেই ফের এক মিরাক্কেল। আরও দুই বাচ্চাকে উদ্ধার করল উদ্ধারকারী দল। সম্ভবত তাঁদেরই ভেঙে পড়া বাড়ির মধ্যে থেকে ওই দুই বাচ্চাকে উদ্ধার করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক ঠান্ডা পড়েছে সে দেশে। কার্যত উদ্ধারে বারবার বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। আর এই অবস্থায় খাবার এবং জল ছাড়া দীর্ঘ পাঁচদিন ওই বাচ্চা দুটি ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে ছিল বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে বাচ্চা দুটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এবং স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ফের একবার নবজাতককে উদ্ধার করল উদ্ধারকারী দল
তুরস্কের ভূমিকম্পের ৯০ ঘন্টা ধ্বংসস্তুপের তলা থেকে ফের একবার নবজাতককে উদ্ধার করল উদ্ধারকারী দল। শিশুটির বয়স মাত্র ১০ দিন বলে জানা গিয়েছে। আর সেই সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে তাঁর মাকেও। ইতিমধ্যে ওই পরিবার তাঁদের সন্তানের নামকরণ পর্যন্ত করেছিল। তুরস্কের হাতায় প্রদেশে ধ্বংসস্তূপের তলা থেকে উদ্ধার করা হয় ইয়াগিস উলাস নামে ওই শিশুটিকে। এক উদ্ধারকারী খুব সাবধান ভাবেই ওই ধ্বংসস্তুপের তলা থেকে মা এবং শিশুটিকে উদ্ধার করে আনেন। শিশুটির গায়ে জোড়ানো ছিল কম্বল। আর চোখগুলি খোলা ছিল। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। শিশুটিকেও মা'কেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁর জ্ঞান থাকলেও কার্যত বিবর্ণ হয়ে গিয়েছেন তিনি।

মিরাক্কেলে আশার আলো দেখছেন উদ্ধারকারী দল
যতদিন এগোচ্ছে ততই একের পর এমন মিরাক্কেলে আশার আলো দেখছেন উদ্ধারকারী দলের জওয়ানরাও। যদিও প্রেসিডেন্ট এরদোগান জানাচ্ছেন, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ত্রাণ ও উদ্ধারকারী দল আমাদের দেশে কাজ করছে। কিন্তু যত দ্রুত গতিতে উদ্ধারকাজ চালানো প্রয়োজন তা হচ্ছে না বলে মেনে নিয়েছেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট। এমনকি পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে এমন বহু জায়গাতে উদ্ধারকারী দল পউছ্যতে পারছে না বলে জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে ভয়বাহ এই কম্পনের পর থেকে ১০০ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ধ্বংসস্তুপের মধ্যে মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক কম বলেও মন্তব্য করেছেন এরদোগান
Yağız Ulaş bebek sadece 10 günlük. Depremden 90 saat sonra Hatay Samandağ’da annesi ile birlikte enkazdan çıkarıldı. pic.twitter.com/7jjjEXQfiV
— Ekrem İmamoğlu (@ekrem_imamoglu) February 9, 2023












Click it and Unblock the Notifications