বিমানে গর্ত ও মাঝ আকাশে আতংকের এক ঘণ্টা
সবকিছু ঠিক রেখেই বিমানটি আকাশে উড়েছিল। উড্ডয়নের আগে বিমানের সব যন্ত্রপাতিও পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু তারপরেও বিপত্তি ঘটে। শেষ পর্যন্ত বিমানটি কিভাবে অবতরণ করলো?
অস্ট্রেলিয়ার সিডনী বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর চীনের একটি বিমান সম্ভাব্য বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছে। বিমানটি সিডনী থেকে সাংহাই যাচ্ছিল।
উড্ডয়নের প্রায় এক ঘণ্টা পর পাইলট ইঞ্জিনে ত্রুটি লক্ষ্য করেন।
এরপর তিনি কোন বিলম্ব না করেই বিমানটিকে সিডনি বিমান বন্দরে ফিরিয়ে এনে নিরাপদে অবতরণ করিয়েছেন।
চীনের ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস এ৩৩০ বিমানটির বাম পাশে যে অংশটি ইঞ্জিন ঢেকে রাখে রাখে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হয়ে গর্ত হয়ে যায়।
বিমানের এক যাত্রী বলছিলেন, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরে বিমানের বাম পাশের পাখায় বিকট শব্দ হয়। এর পর এক ধরনের পোড়া গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
একজন যাত্রী বলেন, " আমি ভীষণ আতঙ্কিত ছিলাম। আমাদের পুরো দলটি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।"
আরেকজন যাত্রী বলেন, " কেবিন ক্রু এসে আমাদের সিট বেল্ট লাগাতে বলেছে এবং শান্ত থাকতে অনুরোধ করে। কিন্তু আমরা ভীষণ আতঙ্কিত ছিলাম। কারণ কী ঘটছে সেটি আমরা বুঝতে পারছিলাম না।"
ইঞ্জিনের পাশের আসন থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেয়া হয়।
বিমান সংস্থাটির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিমানটির বাম পাশের ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক পরিস্থিতির তৈরি হলে সেটিকে সিডনি বিমানবন্দরে ফেরত আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তবে বিমানটি সিডনি বিমানবন্দরের অবতরণের আগে প্রায় এক ঘণ্টা আকাশে চক্কর দিয়েছে। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করে এবং যাত্রীদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।
বিমানটি যখন মাঝ আকাশে ছিল তখন পাইলটদের কাছে থেকে চীনা ভাষায় ঘোষণা দেয়া হচ্ছিল। ফলে ইংরেজি ভাষার যাত্রীরা বুঝতে পারছিলেন না আসলে কী ঘটছে।
চরম আতঙ্কের মুহূর্তেও বিমানের ক্রুরা মাথা ঠাণ্ডা রেখে যথেষ্ট পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করেছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।
বিমানের ইঞ্জিন আবরণের মধ্যে কেন গর্ত তৈরি হলো সে বিষয়টি এখন তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।













Click it and Unblock the Notifications