দুপুর রোদেও পড়বে না ছায়া, এমনই বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছে এই শহর
জিরো শ্যাডো। অর্থাৎ ছায়াহীন। মানুষ থেকে পশু-পাখী, জীব-জন্তু, গাছ পালা, বাড়ি-ঘর কোনও কিছুরই ছায়া পড়বে না। এমনই অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে চলেছে ভারতের এই শহরে। আর সেই বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে তৎপর জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
এই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে গবেষণা। এই ছায়াহীন কয়েকটা মুহূর্তের জন্য একটি বিশেষ মহাজাগতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। যেসময় সূর্য এবং পৃথিবীর অবস্থান এমন জায়গায় থাকে যে সেটা ছায়াহীন বলে মনে হয়। এমনই এক বিরল মহাজাগতিক ঘটনা ঘতে চলেছে দক্ষিণভারতের েটক নগরী বেঙ্গালুরুতে।

ভারতের অ্যাস্ট্রোনমিকাল সোস্যাইটি জানিয়েছে, সূর্য যখন তার সর্বোচ্চ অবস্থানে চলে আসে তখন কোনও বস্তুরই ছায়া পড়ে না। সেরকমই অবস্থান হতে চলেছে মঙ্গলবার। তবে বেশিক্ষণ সময়ের জন্য নয় মাত্র ২ মিনিট স্থায়ী হবে এই অবস্থান। তারপরেই আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে পরিস্থিতি।

দুপুর ১২টা ১৭ মিনিট নাগাদ এই অবস্থা তৈরি হবে বেঙ্গালুরুতে। বহুতল থেকে গাছ-পালা, মানুষ-জীব-জন্তু কোনও কিছুরই ছায়া পড়বে না। ২০২১ সালে ওড়িশার ভুবনেশ্বরে এই অবস্থা দেখা গিয়েছিল। সাধারণত বছরে ২ বার এই অবস্থান তৈরি হয়। ২৩.৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশ থেকে -২৩.৫ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশের মধ্যে সূর্য অবস্থান করলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।
কাজেই সূর্যের যখন উত্তরায়ণ শুরু হয় তখন একবার আর যখন দক্ষিণায়ণ শুরু হয় তখন একবার এই অবস্থা তৈরি হয়। এই ২টো দিন সূর্যের কোনও ছায়া পড়তে দেখা যায় না। কয়েক মুহূর্ত স্থায়ী হয় সেই অবস্থান। তারপরেই সূর্য ধীরে ধীরে নিজের গতিতে চলতে শুরু করে। কিন্তু এই ছায়াহীন কয়েকমুহূর্ত পৃথিবীর ক্ষেত্রে বিরল বলে মনে করেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
পৃথিবী এবং সূর্যের এই বিরল দৃশ্য চাক্ষুস সরার জন্য জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দূরবীক্ষণ যন্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছেন। এই বিরল মহাজাগতিক অবস্থানের সাক্ষী হতে চান তাঁরা। বেঙ্গালুরুবাসীও অপেক্ষা করছেন এই মহাজাগতিক দৃশ্য চাক্ষুস করার জন্য। আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা তারপরেই সেই মাহেন্দ্রক্ষণ শুরু হয়ে যাবে।












Click it and Unblock the Notifications