Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নবী বিতর্কে প্রতিবাদে যোগ, সংশোধনাগারের বেধড়ক মার, অভিযোগ ওড়াল পুলিশ

পুরুষদের একটি দলকে নির্দয়ভাবে মারধর করছে সাহারানপুরের পুলিশ। সেই ভিডিও শেয়ার করেন উত্তর প্রদেশের বিজেপি বিধায়ক শলভ মণি ত্রিপাঠী। ভিডিও শেয়ার করে তিনি লেখেন যে , "যারা হিংসা ছড়াচ্ছে এটা তাঁদের জন্য রিটার্ন গিফট"। তবে পুলিশ আবার এই কথা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। বলা হয়েছে যে এসব বিষয়ে পুলিশ কিছু জানেই না।

নবী বিতর্কে প্রতিবাদে যোগ, সংশোধনাগারের বেধড়ক মার, অভিযোগ ওড়াল পুলিশ

যেখানে এইচঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার পুলিশ জানিয়েছে যে, তাদের কাছে কোনও ওই বিষয়ে কোনও তথ্যই নেই। পুলিশ জানিয়েছে যে ভিডিও সম্পর্কে কেউ অভিযোগ করেনি এবং কোনো তদন্তও করা হচ্ছে না বলে পুলিশ জানিয়েছে। ভিডিওতে, প্রায় নয়জন লোক মার খাওয়া থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন , এমন দেখা যায় এবং তাঁরা নানাভাবে পুলিশের বেধড়ক মার আটকানোর চেষ্টা করছেন বলে দেখা যায়। তাতে কোনও লাভ হয়নি, উলটে তাদের উপর চলতে থাকে লাঠিসোঁটা দিয়ে সশস্ত্র দুই পুলিশ সদস্যের বেধড়ক মার।

ভিডিওটি ভাইরাল হয় উত্তরপ্রদেশ পুলিশ বিক্ষোভকারীদের উপর দমন করার দু'দিন পড়ে এবং এদের মধ্যেই বেশ কয়েকজনকে শান্তি ও সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য আটক করা হয় এবং সাহারানপুর জেলে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।

নবী বিতর্ক মিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে। তেমনই উত্তরপ্রদেশে লোকেরা বিক্ষোভ করতে জড়ো হয়েছিল। তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে আনা হয় সাহারানপুর জেলে এবং দেপয়া হয় বেধড়ক মার। তবে সাহারানপুরের পুলিশ সুপার, সিটি, রাজেশ কুমার বলেছেন যে ভিডিওটি সম্পর্কে তাদের কিছুই জানা নেই। তিনি বলেন, "আমরা জানি না এটা কোথা থেকে এসেছে। কোনও অভিযোগ পেলে আমরা দেখব।"

ভিডিওতে মারধর খাওয়া পুরুষদের মধ্যে অন্তত পাঁচজনের পরিবারের সদস্যরা বলেছেন যে এটি প্রকৃতপক্ষে সাহারানপুরের এবং ওই ব্যক্তিরা গুরুতর আহত হয়েছে। ভিডিওতে থাকা যুবকদের একজন মহম্মদ আলি সাহারানপুরের পীর গলিতে থাকেন। তার মা আসমা কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন যখন তিনি তার ছেলের ভিডিও দেখেন। পুলিশের কাছে মার বন্ধ করতে অনুরোধ করছেন কারণ তিনি আশঙ্কা করছিলেন যেভাবে মারা হচ্ছে তাতে হাত ভেঙে যেতে পারে। পুলিশের মারে আহত ব্যক্তি জানিয়েছে ,

"আমার হাত ফুলে গিয়েছিল এবং আমি পুলিশকে আমাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিছু কাজ হয়নি। মারের চোটে অবস্থা খুব খারাপ ওই যুবকের। একই ভিডিওতে, সাদা কুর্তা পরা অন্য একজনকে কোণে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তিনি মহম্মদ সাইফ, তিনিও সাহারানপুরের বাসিন্দা।তার বোন জেবা বলেছিলেন যে সাইফকে স্থানীয় পুলিশ এতটাই মারধর করেছে যে সে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারেনি। "আমার ভাইয়ের হাত ফুলে গেছে। তারা তাকে প্রচণ্ড মেরেছে এবং এমনকি তাকে ডাক্তারের কাছেও নেয়নি।"

ভিডিওতে মহম্মদ সাইফের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটির নাম মহম্মদ সাফাজ। তার ভাই মোহাম্মদ তৌহিদ বলেছেন, পুলিশ তাকে নির্মমভাবে মারধর করে এমনকি তার হাঁটু পর্যন্ত ভেঙে দেয়।আমি জেলে আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করেছি, ওর পা থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। সাহারানপুরের আরও দুই ব্যক্তি, রাহাত আলি এবং ইমরানকেও শনাক্ত করা গিয়েছে যারা ওই জেলে ছিলেন"।

এই লোকদের মারধরের চার দিন পরেও, সাহারানপুরন পুলিশ দাবি করে গিয়েছে যে ঘটনাটি কোথায় ঘটেছে সে সম্পর্কেও তারা কিছু জানে না। ঘটনা হল ২০২০-২১ সালে আটটি পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু এবং ৪৪৩টি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ , যা দেশের সর্বাধিক।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+