লকডাউন কাটিয়ে ট্রেন চালু হলেও থাকতে পারে বিধিনিষেধ! উপসর্গ থাকলে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে যাত্রীকে
লকডাউন কাটিয়ে ট্রেন চালু হলেও থাকতে পারে বিধিনিষেধ! উপসর্গ থাকলে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে যাত্রীকে
একটা নির্দিষ্ট সময় পরে লকডাউন উঠবে। ট্রেন বাস সবই চালু হবে। যেরকমটা হয়েছে চিনে। কিন্তু রেলে ভ্রমণ একটু অন্য রকমের হতে পারে। জারি হতে পারে বেশ কিছু বিধিনিষেধ। তবে সবকিছু নিয়েই এখন চিন্তাভাবনা চলছে রেলমন্ত্রকে।

স্টেশনে পৌঁছতে হবে কম করে ৪ ঘন্টা আগে
যেসব নতুন বিধিনিষেধ চালু হতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে, কোনও যাত্রীকে কোনও ট্রেন ধরতে হলে, ৪ ঘন্টা আগে স্টেশনে পৌঁছতে হবে। এই ৪ ঘন্টা সময় রাখা হচ্ছে যাত্রীদের পরীক্ষা করে দেখার জন্য। সব যাত্রীর থার্মাল স্ক্রিনিং করা হবে।

১২ ঘন্টা আগে স্বাস্থ্য নিয়ে জানাতে হবে
ট্রেনে সফর করতে হলে ১২ ঘন্টা আগে রেলকে যাত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে তথ্য। জানাতে হতে পারে। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বজায় রাখতে ছয়জনের বার্থের জায়গায় দুজনকেই কেবলমাত্র রাখা হতে পারে। পাশাপাশি সাইড বার্থও ফাঁকা রাখা হতে পারে।

লক্ষণ থাকলে ট্রেনে নাও উঠতে দেওয়া হতে পারে
কোনও কোনও যাত্রীর করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হতে পারে। কিংবা তাঁর যাত্রা বাতিল করা হতে পারে।

দেওয়া হতে পারে মাস্ক ও গ্লাভস
সামান্য মূল্যের বিনিময়ে যাত্রীদের দেওয়া হতে পারে ফেস মাস্ক ও হাতের গ্লাভস। রেলযাত্রার সময়ে মাস্ক ও গ্লাভব বাধ্যতামূলক করা হতে পারে বলেই সূত্রের খবর।

একমাত্র যাত্রীদেরই স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি
যেসব যাত্রীর সংরক্ষিত টিকিট থাকবে, তাঁদেরই কেবলমাত্র স্টেশনে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। নতুন করে প্ল্যাটফর্ম টিকিট বিক্রি করা হবে না। স্টেশন ফাঁকা রাখতেই এই বন্দোবস্ত। ভেন্ডরদের কামরায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া নাও হতে পারে।

ট্রেনে থাকবে না বাতানুকুল কোচ
এয়ার কন্ডিশন থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাই আপাতত চিন্তা করা হয়েছে, কোন ট্রেনেই বাতানুকুল কামরা রাখা হবে না। যাত্রা কাবে কামরার চারটি দরজাই
বন্ধ রাখা হতে পারে।

প্রবীণ নাগরিকদের বিরত রাখা হতে পারে
করোনা ভাইরাস সংক্রমণ হচ্ছে প্রবীণ নাগরিকদের বেশি করে হচ্ছে। তাই কিথু দিনের জন্য প্রবীণ নাগরিকদের ট্রেন যাত্রা থেকে বিরত রাখা হতে পারে।

থাকতে পারে ডিসইনফেকশন টানেল
যাত্রীদের বিশেষভাবে তৈরি ডিসইনফেকশন টানেলের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। পাশাপাশি যাত্রার সময় সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং যাতে বজায় রাখা যায়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হতে পারে।

ট্রেন চলবে শুরু ও শেষের স্টেশনের মধ্যে
বেশিরভাগ ট্রেনের ক্ষেত্রে শুরুর স্টেশন ও গন্তব্যস্থলের মধ্যে চলাচল করবে। যার অর্থ হল মধ্যে আর কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না। স তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মধ্যে দু-একটি স্টেশনে দাঁড়াতে পারে ট্রেন।












Click it and Unblock the Notifications