Yogi Adityanath: রাজ্য স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ যোগ আদিত্যনাথের, নিয়োগ করলেন নোডাল অফিসার
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ণে তৎপর যোগী সরকার। একের পর এক পরিকল্পনা নিয়ে চলেছেন তিনি। রাজ্য স্বাস্থ্য পরিষেবা ঠিক মতো পরিচালনা হচ্ছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখার জন্য এবার নোডাল অফিসার নিয়োগ করলেন তিনি। এই নোডাল অফিসাররা হাসপাতালের ভেতরের অবস্থা কী রয়েছে সেগুলি খতিয়ে দেখবেন।
হঠাৎ করে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার দাপট বেড়ে গিয়েছে রাজ্যে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যের সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিকে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সেই পরিস্থিতি ঠিক মতো কাজ করছে কিনা সেটা নজরে রাখতেই এই নোডাল অফিসারদের নিয়োগ করা হয়েছে।

রাজ্যে এই ধরনের রোগ বাড়তে শুরু করেছে। এই নিয়ে বৈঠক করেছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বার্তা দিয়েছিলেন যেন পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজ করা হয়। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ৭৫টি জেলায় এই ধরনের রোগের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে।
প্রতিবছরই বর্ষার সময় ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের প্রকোপ বাড়তে শুরু করে। সেকারণে আগে থেকেই যোগী সরকার স্বাস্থ্য দফতরের কর্মীদের ৭৫টি জেলায় সচেতনতা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কীভাবে ডেঙ্গি মোকাবিলা করা উচিত। এবং মশা বাহিত রোগ যাতে না ছড়িয়ে পড়ে তার জন্য কী কী সাবধানতা নেওয়া উচিত তা নিয়ে সচেতনতা প্রচারের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
নভেম্বর পর্যন্ত এই ধরনের রোগের প্রকোপ দেখা যাবে। লখনউ, গৌতম বুদ্ধ নগর, গাজিয়াবাদ, কানপুর নগর, বরেলি, সীতাপুর, শাহজাহানপুর, হরদৌই, বদায়ুঁ, পিলভিট,সম্ভল এই জায়গা গুলিতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। অন্যদিকে প্রয়াগরাজ, কানপুর নগর, বারাবাঙ্কি, কুশিনগর, সন্ত কবির নগর, শাহারানপুর, বাস্তিতে চিকুনগুনিয়ার দাপট বাড়ছে।
যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছেন ২০১৭ সালের আগে উত্তর প্রদেশে এই সব মশাবাহিত রোগে ৫০,০০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ২০১৭ সালের পরে সেই সংখ্যা একেবারেই কমে গিয়েছে। মৃত্যু নেই বললেই চলে। জাপানিস এনসেফ্যালাইটিস, চিকুনগুনিয়া, এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।












Click it and Unblock the Notifications