Yogi Adityanath: অর্থনীতি উন্নয়নে জোর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে, রপ্তানি-মাথা পিছু আয়কে দ্বিগুণ করাই লক্ষ্য যোগীর
২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই উত্তর প্রদেশ জুড়ে উন্নয়নের একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজ্যের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বিজেপি সরকার। গো বলয়ের বৃহত্তম রাজ্যে শুধু আইন শৃঙ্খলার উন্নতিই নয় একইসঙ্গে রাজ্যের অর্থনীতির বুনিয়াদকেও শক্ত পোক্ত করতে চাইছে যোগী সরকার।
একটি সর্বভারতীয় ইংরেজি দৈনিকে সাক্ষাতকারে আগামী দিনে রাজ্যের অর্থনীতির দিশা তুলে ধরেছেন যোগী আদিত্যনাথ। আগামী ৫ বছরে রাজ্যের অর্থনীতির রূপরেখা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যোগী বলেন, 'বিগত ৫,৬ বছরে উত্তর প্রদেশে মাথাপিছু আয় ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার সময়েও বৃদ্ধির ধারা অপরিবর্তিত থেকেছে। শেষ আর্থিক বছরে জিএসডিপি বৃদ্ধির পরিমাণ ২০ শতাংশ।'

একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, 'মাথা পিছু আয় এবং রপ্তানি পরিমাণকে আগামী পাঁচ বছরে দ্বিগুণ করতে হবে। ২০২৭ সালের মধ্যে রাজ্যের অর্থনীতিকে ওয়ান ট্রিলিয়ানে নিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।'
রাজ্যে কোন সেক্টরগুলি দ্রুত উন্নতি করছে? এই প্রসঙ্গে যোগী বলেন, 'পরিকাঠামো ক্ষেত্রে আমরা দ্রুত উন্নতি করছি। রাস্তা, এক্সপ্রেসওয়ে, বিমান, জলপথ ইত্যাদি ক্ষেত্রগুলিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। মাল্টি মডেল ট্রান্সপোর্ট হাব তৈরি করা হচ্ছে রাজ্যে।'
একইসঙ্গে যোগী উল্লেখ করেছেন, 'কৃষি এবং এমএসএমই ক্ষেত্রেও দারুণ উন্নতি হয়েছে। প্রতি বছর ১৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিজাত পণ্য উত্তর প্রদেশ থেকে রপ্তানি হয় আগামী বছর এই অঙ্কটা দ্বিগুণ করাই লক্ষ্য। আম এবং লঙ্কা দুবাই ও দোহাতে রপ্তানি করা হয়।চাল, মাছ, শাক সবজিও বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে।'

কৃষকদের সুরক্ষার ক্ষেত্রেও যে সরকার একাধিক কর্মসূচি নিয়েছে তা উল্লেখ করেন যোগী আদিত্যনাথ। তাঁর কথায়, 'সরকার সবসময় কৃষকদের সুরক্ষা দেয়। ফলে তাঁরা আত্মবিশ্বাস পায়, রাজ্যের প্রায় ২.৬১ কোটি কৃষক প্রধানমন্ত্রী কিষান নিধি প্রকল্পের আওতায় রয়েছে।রাজ্যে ৯৬ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট রয়েছে।'
'রাজ্যে শিল্পায়ন এবং কর্ম সংস্থানে গতি আনতে সিঙ্গেল উইন্ডো স্টিটেম চালু করা হয়েছ। নতুন প্রযুক্তিকে এনে তা কার্যকর করতে কিছুটা সময় লাগে।'
রাজ্যে একাধিক জনমোহিনী নীতি নিয়েছে সককার, তার মধ্যে রয়েছে বিনামূল্যে রেশন, ভর্তুকিত বাড়ি, একাধিক পেনশন যোজনা। এরপরও কীভাবে রাজ্যের অর্থনীতির উন্নয়ন সম্ভব? এই প্রসঙ্গে যোগী বলেন, 'এটা ভ্রান্ত ধারনা। গরিব মানুষকে বিনামূল্য বা সস্তায় কিছু প্রদান করা হলে। তাঁরা তাঁদের বাকি অর্থ খরচ করতে পারবেন, যা রাজ্যের অর্থনীতির উন্নয়নে সাহায্য করবে।'
অযোদ্ধায় রাম মন্দিরের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বলেন, 'দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যাবে। মন্দির নগরীর মধ্যে আন্তর্জাতিক মানের বিমান বন্দর তৈরি করা হচ্ছে। গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে মীরাট থেকে প্রয়াগরাজকে জুড়বে, ২০২৫ সালের কুম্ভের আগেই এই কাজ শেষ হবে।'












Click it and Unblock the Notifications