Yogi Adityanath: ‘রামমন্দির উদ্বোধনের পর দশগুন বেশি পর্যটক আসবেন অযোধ্যায়’: যোগী
দুর্গাপুজো, কালীপুজোর পর আসে দীপাবলি উৎসব, আজ এই উৎসব আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করছেন সকলে। আর এই কারণেই অযোধ্যায় সরযূ নদীর তীরে আরতি করেন যোগী। আর এই উৎসব উপলক্ষ্যে শনিবার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শ্রী রাম, জানকী, লক্ষণকে প্রণামও জানিয়েছেন।
সেই সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী এই বিশেষ দিনে বক্তব্য রাখেন অযোধ্যাবাসীর উদ্দেশ্যে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধন হবে, আর তারপর থেকেই উত্তরপ্রদেশে আরও বেশি পর্যটক আসবেন। এতদিন যা পর্যটক এসেছেন তার থেকে ১০ গুন বেশি মানুষ আসবেন এই পবিত্র শহরে। অযোধ্যা হয়ে উঠবে বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর শহর, শেষ মুহূর্তে চলছে জোরকদমে প্রস্তুতি।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই দীপাবলি উৎসবে সেজে উঠেছে অযোধ্যা শহর থেকে রাম লালার মন্দির। এক রাজকীয় দীপোৎসবের আয়োজন করেছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। সরযূ তীরে সাজানো হয়েছে ২৪ লক্ষ মাটির প্রদীপে। তিনি বলেন, শ্রী রামের প্রিয় শহর অযোধ্যা, আর তাই এখানকার সরকার এই রাজ্যটিকে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। অযোধ্যাবাসীর উচিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আড়ম্বরের সঙ্গে স্বাগত জানানো।
ত্যাগ, আন্দোলন, প্রচারের ৫০০ বছর পর শ্রী রাম তার মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছেন। আর এই জন্য অযোধ্যাবাসী দারুন খুশি, জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাম মন্দির উদ্বোধনে আসবেন তখন অযোধ্যাবাসীর উচিত প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো, কারণ, তাঁর জন্যই আমরা এই বিশেষ দিনটি দেখতে পাব।
দীপাবলিতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী রাজ্যের সমস্ত বাসিন্দাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলছেন, আমরা সকলেই খুব ভাগ্যবান যে আমরা আলোর উৎসব দেখতে পাচ্ছি। সাত বছর আগে যখন অযোধ্যায় দীপোৎসবের সূচনা হয়েছিল, তখন অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। আজ ভারত তথা গোটা বিশ্বের অন্যতম বড় কার্নিভাল সরযূ তীরের আলোর উৎসব বলে জানান যোগী। আজ প্রধানমন্ত্রী দেশকে এক শ্রেষ্ঠ ভারতে পরিণত করেছে। তারই উদ্যোগে অযোধ্যা নতুন ভাবে সেজে উঠছে। এখনও আরও অনেক কাজ বাকি আছে। অযোধ্যায় ৩০, ৫০০ কোটি টাকা মূল্যের ১৭৮ টি প্রকল্পের কাজ চলছে।
যেকোনও সন্ত্রাসী সমস্যা হোক কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগই হোক বা অন্য বড় কোনও সমস্যা হোক সবই মোকাবিলা করতে প্রস্তুত এই সরকার। তাই সকল বাসিন্দাদের পাশে রয়েছেন। দারিদ্র ব্যক্তিরা যাতে ভালোভাবে থাকতে পারেন, তাঁর দিকেও বিশেষ নজর রেখেছে যোগী সরকার। আবাসন, বিদ্যুৎসংযোগ, শৌচাগার, অসহায় ব্যক্তিদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন এই সরকার। সেই কোভিডের সময় থেকে দারিদ্র ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন দেওয়া, রক্ত পরীক্ষা করানো, ওষুধ দেওয়া, এমনকি খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে এই সরকার। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক, নানান মুনি, ঋষি ও সাধুরা, বিভিন্ন মঠের মঠকর্তা, রাজ্য সরকারের মন্ত্রী সূর্য প্রতাপ শাহি, জয়বীর সিং, রাকেশ সচান, অযোধ্যার সাংসদ লাল্লু সিং ও অন্যান্য আধিকারিকরা, ছিলেন সেখানকার বাসিন্দারাও।












Click it and Unblock the Notifications