যোগী সরকারের মাস্টারস্ট্রোক, ৪ বছরেই ১ ট্রিলিয়ন অর্থনীতিতে পরিণত হবে উত্তরপ্রদেশ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন দেশকে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রয়াস নিয়েছেন, তখন দেশের সবথেকে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশও সমান্তরাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকারের উত্তরণ হয়েই চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ খুব সম্প্রতি ১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির রাজ্যে পরিণত হবে। উত্তরপ্রদেশকে আগামী ৪ বছরেই ১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি। সেই কাজে অবিচল যোগী আদিত্যনাথ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন দেশকে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রয়াস নিয়েছেন, তখন দেশের সবথেকে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশও সমান্তরাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংকল্প পূরণ করতে উত্তরপ্রদেশরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

মোদীর সংকল্প পূরণে যোগী
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন দেশকে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার প্রয়াস নিয়েছেন, তখন দেশের সবথেকে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশও সমান্তরাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংকল্প পূরণ করতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন।

রাজ্যে এক ট্রিলিয়ন অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা
যোগী আদিত্যনাথ নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগো্চ্ছেন রাজ্যের উন্নয়নে। জোর দিচ্ছেন জেশজ উৎপাদনে। মোদীকে অনুসরণ করে জাতীয় মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে রাজ্যে এক ট্রিলিয়ন অবদান রাখার সংকল্প নিয়েছেন তিনি। নিয়েছেন সামগ্রিক উন্নয়নের পথ।

রাজ্যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে যোগী
যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে। দেশীয় ও বৈশ্বিত বিনিয়োগকারীদের ডেকে এনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশীদারিত্বের সন্ধান করছেন তিনি। সর্বোচ্চ ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির প্রস্তাব দিয়েছেন। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা জোরদার করার চেষ্টা করছেন।

ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি
বিশ্বব্যাঙ্কের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমান ডলারের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের জিডিপি ২০১৯ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়েছিল। কিন্তু মহামারীর কারণে ২০২০ সালে ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার নেমে আসে। বর্তমান ডলার ও টাকার মূল্যের উপর ভিত্তি করে ভারতীয় অর্থনীতি ৩.১ ট্রিলিয়ন বলে মনে করা হচ্ছে। সেই নিরিখে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

বিভিন্ন উন্নয়নের মাপকাঠি মেনে কাজ
ভারত জি-২০ সম্মেলনের সভাপতিত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের অর্থনীতির গতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে তৈরি হচ্ছে মোদী সরকার। বৈশ্বিক স্তরে শক্তি প্রদর্শনের একটি বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর এই কাজে উত্তরপ্রদেশ বিশেষ ভূমিকা গ্রহণ করছে। সম্প্রতি ইউপি গ্লোবাল ইনভেস্টর সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে নির্ধারিত হয়েছে বিভিন্ন উন্নয়নের মাপকাঠি।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির শক্ত ভিত উত্তরপ্রদেশে
উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার এই পথে প্রধান লক্ষ্য দিয়েছে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে একটা শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করাতে। এ বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশ করার সময়, প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেন, ভারতীয় অর্থনীতি ২০২৩ সালের মার্চ মাস নাগাদ ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার স্পর্শ করবে।

উত্তরপ্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা সংকল্পপূরণে
তিনি জানান, এর ফলে ভারতের জিডিপি ৬.৫ থেকে ৭ শতাংশ অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ভারত ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে ভারত। মোদী সরকারের এই সংকল্প পূরণ করতে উত্তরপ্রদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ নীতির মানদণ্ড উত্তরপ্রদেশ
ভারতের সবথেকে জনবহুল রাজ্য উত্তরপ্রদেশ সেই সংকল্পপূরণে ২০২৭ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির অবদান রাখতে বদ্ধপরিকর। যোগী আদিত্যনাথ সরকরা মনে করছে, এই লক্ষ্যমাত্রা তাদের নাগালের মধ্যেই রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ মনে করছেন তাঁর রাজ্য উত্তরপ্রদেশ ২০২৭ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি উপার্জন তো করবেই, তার সঙ্গে 'সবকা সাথ সবকা বিকাশ' নীতির একটি মানদণ্ড হয়ে উঠবে।

যে সমস্ত ক্ষেত্রে জোর যোগী আদিত্যনাথ সরকারের
যোগী আদিত্যনাথ জানান, এখন থেকেই উত্তরপ্রদেশে তাঁর সরকার কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, গুদামজাতকরণ ও সরবরাহ, ফার্মা, পর্যটন, ইলেকট্র্নিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ এবং চলচ্চিত্রে মতো সেক্টরগুলিতে ফোকাস করেছে। সে জন্য বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের লক্ষ্যে বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছে তাঁর সরকার। টেকসই অর্থনীতির লক্ষ্যেই নীতি আয়োগ দ্বারা নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসারে কঠোর পরিশ্রম করছেন তাঁরা।

স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি
রাজ্য সরকার স্বাস্থ্য ও পুষ্টির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়েছে। জাতিসংঘে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সেই লক্ষ্যে বিল অ্যান্ট মেলিন্ডা গেচস ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আর এই উন্নয়নের দ্বিতীয় দিকটি হল কৃষি। কৃষকের আয় দ্বিগুণ করার যে দৃষ্টিভঙ্গি মোদী সরকার নিয়েছে, যোগী সরকারও সেই নীতি অনুসরণ করে চলেছে।

কৃষি খাতের ঋণ বাড়িয়ে সমবায় শক্তিশালী
রাজ্য সরকার বিভিন্ন নীতি নিয়ে কৃষি উৎপাদনকারী সংস্থাগুলিতে কৃষি খাতের ঋণ প্রসারিত করে সমবায়কে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। এক জেলা এক পণ্য নীতি নেওয়া হয়েছে। ক্লাস্টারভিত্তির পদ্থতি অবলম্বণ করে পণ্যের প্রচার করা হচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রে আয় বাড়ানোর প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।

ব্যবসা করাকে সহজ করতে জোর যোগী সরকারের
আর তৃতীয় যে দিকটি অবলম্বন করেছে যোগী সরকার, তা হল ব্যবসা করার সহজতা। ভারত ২০১৪ সালে ছিল ১৪২তম স্থানে, সেখান থেকে ২০২২ সালে ৬৩তম স্থানে উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে স্টার্ট্ আপগুলিকে সক্রিয় করা হয়েছে। আর এই ক্ষেত্রেও সমান দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার। উত্তরপ্রদেশ কেন্দ্রীয় নীতিকে ফলো করে দেশের সবথেকে উন্নতশীল রাজ্যে পরিণত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications