বিশ্বের সবথেকে সুন্দর শহর হবে অযোধ্যা! পরিকল্পনা জানিয়ে বললেন যোগী আদিত্যনাথ
রামমন্দির তৈরি হয়ে গেলে বিশ্বের সবথেকে সুন্দর শহর হবে অযোধ্যা! এমনটাই দাবি করলেন যোগী আদিত্যনাথ। এজন্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানালেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ জুড়ে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল রামমন্দির নির্মান। গত কয়েকবছর আগেই রামমন্দির নির্মাণের শিলান্যাস করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। আর এরপর থেকে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মন্দির নির্মানের কাজ চলছে। লোকসভা ভোটের আগেই অর্থাৎ জানুয়ারি মাসেই রামমন্দির খুলে দেওয়া হবে বলে ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে।

আর তা খুলে দেওয়া হলে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর শহর হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি একটি সভায় যোগ দেন যোগী আদিত্যনাথ। আর সেই সভা থেকে তিনি বলেন, অযোধ্যা গর্বের সঙ্গে গোটা বিশ্বকে আজ স্বাগত জানাচ্ছে। অযোধ্যার নাম নিয়ে যাদের এখনও সমস্যা আছে তাঁদের একমার এই শহর পরিদর্শনের জন্যে স্বাগত জানান যোগী।
পাশাপাশি অযোধ্যাকে ঘিরে ইতিমধ্যে একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৈরি করা হচ্ছে বিমানবন্দর। এমনকি মন্দিরে ঘিরে গোটা শহরকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে। আর তা নিয়ে ইতিমধ্যে যোগী প্রশাসন একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে সোলার সিটি! মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, অযোধ্যাই প্রথম সোলার সিটি হতে চলেছে। সোলার প্যানেলের মাধ্যমে তৈরি বিদ্যুতের সাহায্যেই গোটা শহর আলোকিত হবে। বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরযূর ধারে বসানো সোলার প্যানেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন যোগী আদিত্যনাথ।

আগামীদিনে বিশ্বের সুন্দর শহর হিসাবে অযোধ্যাকে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যসচিব। সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মন্দিরে ভিড় এড়াতে থাকছে একাধিক ব্যবস্থা। ২ কিলোমিটারের কম রাস্তা হেঁটে মন্দিরে পৌছতে পারবেন ভক্তরা। জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।
থাকবে একাধিক পার্কিং থেকে শুরু করে একাধিক আধুনিক সুবিধা। একাধিক সেতুর মাধ্যমে গোটা নদীর দুপাশ যুক্ত করা হবে বলেও জানানো হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে।

বলে রাখা প্রয়োজন, রামমন্দির তৈরির কাজ চলছে একেবারে যুদ্ধকালীন গতিতে। ১লা জানুয়ারি ২০২৪ সালে খুলে দেওয়া হবে মন্দিরের দরজা। ইতিমধ্যে নেপাল থেকে বিগ্রহ তৈরির পাথরও এসে গিয়েছে। গর্ভগৃহ থেকে মন্দির নির্মানে কয়েশ শ্রমিক কাজ করে চলেছেন দিন রাত।












Click it and Unblock the Notifications