২৪-এর আগে যোগী আদিত্যনাথের মাস্টারস্ট্রোক, অযোধ্যাতেই অনুমোদন ৪০০ কোটির প্রকল্পের
শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রকে সাজিয়ে তুলতে পরিকল্পনার অন্ত নেই। ২০২৪-এর আগে যৌগী আদিত্যনাথ সাজিয়ে তুলছেন অযোধ্যাকে।
উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয় মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসার পর পর একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক দিয়ে চলেছেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি অযোধ্যাতেই অনুমোদন দিয়েছেন ৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পের। এই টাকায় অযোধ্যর পরিকাঠামো নির্মাণ হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রকে সাজিয়ে তুলতে পরিকল্পনার অন্ত নেই।

সম্প্রতি যোগী আদিত্যনাথ অযোধ্যায় ৪০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের পরিকাঠামো প্রকল্প অনুমোদন করেছেন। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রে ট্রাস্টের আধিকারিকদের মতে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে মন্দিরটি সর্বাসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। শুক্রবার যোগী আদিত্যনাথের নেতৃ্ত্বে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রিসভা অযোধ্যায় ৪৬৫ কোটি টাকার বিশ্বমানের পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য অনুমোদন করেছে।
সরকারি বিবৃতি অনুসারে জাতীয় সড়ক ২৭ থেকে অযোধ্যার নয়া ঘাট পুরনো সোতু পর্যন্ত ধর্ম পথের দুই অংশ ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রশস্ত ও প্রসারিত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। ৯.০২ কিলোমিটার পঞ্চকোসি পরিক্রমা মার্গের উন্নয়নের জন্য এবং অযোধ্যায় ১৪ কোসি পরিক্রমা মার্গের ২৩.৯৪ কিলোমিটার চার লেনে রূপান্তর করার জন্য প্রতিটি ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ২০১৯ সালের রায়ের পরে অযোধ্যায় নতুন রাম মন্দিরের চলমান নির্মাণ কাজের বড়ো অংশ এ বছরই শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রে ট্রাস্টের আধিকারিকদের মতে, আগামী বছরের জানুয়ারিতে মন্দিরটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
২০২৪-এর নির্বাচনের আগেই এই মন্দিরের দ্বার উন্মুক্তের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সুগ্রীব দুর্গ, আশরাফি ভবন, দেবকালী ছোটি, নাগেশ্বর ধাম, শৌচাগার, স্বয়ম্বেশ্বর নাথ ধাম, দন্তধাবন কুণ্ড, জানকী কুণ্ড, মৌনি বাবা আশ্রম, সীতা কুণ্ডের মেঝে, শৌচাগার, বিশ্রামাগার, বাউন্ডারি, গেট এবং পঞ্চকোসি পরিক্রমা মার্গে দশরথ কুণ্ডও নির্মাণ করা হবে।
অযোধ্যায় এরকম উন্নয়নমূলক নামা প্রকল্প-পরিকল্পনাগুলো মন্ত্রিসভায় সম্প্রতি অনুমোদন পেয়েছে। মন্ত্রিসভা রাজ্যের চারটি নতুন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনও দিয়েছে। শাহজাহানপুরে বরুণ অর্জুন বিশ্ববিদ্যালয়, লখনউয়ে টিএস মিশ্র বিশ্ববিদ্যালয়, আগ্রায় ফারুখ হুসেন বিশ্ববিদ্যালয়, ও বিজনোরে বিবেক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে লেটার অফ ইনটেন্ট ইস্যু করার উদ্দেশ্য হল শিক্ষার মান উন্নত করা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান করা। এই বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে দুই বছরের মধ্যে সমস্ত কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় তা বাতিল করা হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।












Click it and Unblock the Notifications