যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন নেই, অপরিবর্তনীয় সফরসূচি
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে ঘটে গিয়েছে পুলিশে ঘেরাটোপে থাকা অবস্থায় শ্যুট-আউটে খুন। প্রাক্তন গ্যাংস্টার সাংসদকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে। তারপরও অবশ্য কোনো পরিবর্তন নেই যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। অপরিবর্তনীয় রয়েছে তাঁর সফরসূচি।
উত্তরপ্রদেশে আতিক ও আশরাফ আহমেদ হত্যার পর মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে বলে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়ে দিয়েছে যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে না। সেইসঙ্গে নিশ্চিত করা হয়েছে ওই হিংসাত্মক ঘটনার পরও যোগী আদিত্যনাথের সফরসূচিতেও কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।

তবে আতিক-আশরাফ খুনের পর রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রয়াগরাজের পরিস্থিতি শান্ত করতে তদারকি করা হচ্ছে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্তাদের দিয়ে। প্রশাসন তৎপর হয়ে কাজ করছে। যাতে কোনোরকম উত্তেজনা না ছড়ায় সে জন্য তটস্থ প্রশাসন। নিরাপত্তায় কোনো খামতি রাখা হচ্ছে না।
তা বলে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সফরসূচি এবং নিরাপত্তায় কোনো রূপ পরিবর্তন করা হচ্ছে না। পূর্বেও যেমন নিরাপত্তা ছিল, এখনও সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসন সতর্ক থাকছে নিরাপত্তা ব্যবস্থায়।

এর আগে রিপোর্ট করা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশরে গ্যাংস্টার তথা প্রাক্তন সাংসদ আতিক আহমেদ ও তাঁর ভাই আশরাফ আহমেদের হত্যার পর মুখ্যমন্ত্রীর যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হতে পারে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সেই সম্ভবানা নস্যাৎ করা হয়েছে। নিরাপত্তা একইরকমই থাকছে বলে জানানো হয়েছে।
গত বছর গোরক্ষনাথ মন্দিরে হামলার পর উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। তাঁর নিরাপত্তায় সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়। সেই কারণেই জল্পনা শুরু হয়েছিল এবারও তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কিছু উল্লখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কোনো পরিবর্তন না হলেও ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি সঞ্জয় প্রসাদের নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি তদারকি করতে প্রয়াগরাজে ছুটছেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন।

প্রশাসনিক কর্তারা জানিয়েছেন, আতিক ও তাঁর ভাইয়ের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ১৭ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের গাফিলতিতেই এত বড় ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন সূত্রে। কী করে পুলিশি ঘেরাটোপ থাকা সত্ত্বে এত বড় কাণ্ড ঘটে গেল, তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, প্রয়াগরাজ আতিক আহমেদ এবং তার ভাই আশরাফের হত্যাকাণ্ডে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবার উপর নিষেধাজ্ঞা আরও দু-দিন বাড়িয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসাবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications