উত্তরপ্রদেশ বিমারু অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে, উন্নয়নের বার্তায় ব্যাখ্যা যোগী আদিত্যনাথের
যোগী আদিত্যনাথের আমলে উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের দিশারি হয়ে উঠেছে। ধীরে ধীরে বিমারু অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে উত্তরপ্রদেশ। খোদ মুখ্যমন্ত্রী যোগ আদিত্যনাথই ঘোষণা করলেন সেই কথা। নীতি আয়োগের তথ্য উদ্ধৃত করে তিনি নিজের রাজ্যের উত্তরণের কাহিনি ব্যাথ্যা করলেন।
উত্তরপ্রদেশরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মঙ্গলবার বলেন, তাঁর রাজ্য বিমারু রাজ্য বিভাগ থেকে বেরিয়ে এসেছে এবং সক্ষম প্রদাশ বা রাজ্য হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এখন উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে। একেবারে পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দেন, রাজ্য কোন পথে এগোচ্ছে।

মঙ্গলবার তিনি ১৫৭৩ এএনএম স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়োগপত্র হস্তান্তর করেন। তখন তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ সালে রাজ্যের জনসংখ্যার ৩৭.৬৮ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্য সীমার নীচে ছিল। ২০১৫-২০ সালে তা ৩৭.৬৮ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে এবং বর্তমানে সেটি ১২ শতাংশে দাঁড়িয়ে আছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারগুলি নিয়োগ দুর্নীতিতে লিপ্ত ছিল। ফলে রাজ্যের যুবকরা বাইরে কাজে গিয়ে পরিচয় সঙ্কটের মুখোমুখি হত। চাচা-ভাতিজার সরকার উত্তরপ্রদেশকে সঙ্কটের মুখে ফেলে গিয়েছিল। যখনই সরকারি শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়, তখনই তারা তারা তোলাবাজি শুরু করেন।
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তার কাকা শিবপাল যাদবের কথা উল্লেখ করে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, "আজ, কেউ রাজ্যের নিয়োগ কমিশন বা বোর্ডগুলির দিকে আঙুল তুলতে পারে না। প্রযুক্তির আরও ভালো ব্যবহার করে আমরা স্বচ্ছভাবে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, রাজ্যে এখন যুবকদের আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে তাঁর সরকার। রাজ্যের অগ্রগতিতে অবদান রাখতে ইচ্ছুক যুব সমাজ। পূর্ববর্তী ব্যবস্থার সমালোচনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের অসুস্থ মনের সরকার উত্তরপ্রদেশকে অসুস্থ করে তুলেছিল। তাঁর ছয় বছরের মেয়াদে উন্নয়নের দিশারি হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী ১০টি উন্নতশীল জেলার উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাহরাইচ, শ্রাবস্তি, বলরামপুর, বাদাউন, সীতাপুর, সিদ্ধার্থনগর, সম্বল, খেরি, হারদোই এবং বান্দা এখনও উন্নয়নে পিছিয়ে। নীতি আয়োগ তাদের উন্নতশীল জেলা হিসাবে চিহ্নিত করেছে, তারা উন্নয়নের বিশেষ ফোকাসের আওতায় এসেছে।
যোগী বলেন, তাঁর সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও জলসম্পদ, দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের উপর নীতি আয়োগ দ্বারা নির্ধারিত পরামিতিগুলিতে কাজ শুরু করেছে। তিনি দাবি করেন, তার দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দেড় বছরে ১৯টি নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে এবং ৫৮ হাজার প্রার্থী সরকারি চাকরি পেয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications