যোগী আদিত্যনাথের শাসনে গ্যাংস্টাররা ভয়ে ‘সসেমিরা’, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া প্রশাসন
গ্যাস্টারদের ছেড়ে কথা বলছে না যোগী প্রশাসন। যোগী আদিত্যনাথের শাসনে গ্যাংস্টাররা ভয়ে 'সসেমিরা' হয়ে রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া তাঁর প্রশাসন। কোথাও এতটুকু ফাঁখ রাখছেন না, যেখান দিয়ে গ্যাংস্টাররা কোনো কু-কর্মে লিপ্ত হতে পারে। তারা ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে রয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সম্প্রতি একটি বোতলজাত প্ল্যান্টের শিলান্যাস করতে গিয়েছিলেন। সেখানে এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, গ্যাংস্টাররা একসময় তোলাবাজি চালাত, হুমকি ও অপহরণের মাধ্যমে মানুষকে সন্ত্রস্ত করত। তারা এখন ভয়ে পালাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নীত হয়েছে আগের তুলনায়। যারা আগে আইন মানতে চায়নি। তারা এখন বিচারের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে। যোগী-রাজ্যে আগে সুশাসন ছিল না। এখন সেখানে ধীরে ধীরে সুশাসন বিরাজ করছে। ফলে আদালতে বিচারের মুখেমুখি হতে হচ্ছে অপরাধীদের।
আগে দেখা গিয়েছে মাফিয়ারা মানুষকে ভয় দেখাত। এখন মাফিয়ারা ভয় পাচ্ছে। শিল্পপতিদের হুমকি দিয়ে তোলা আদায় করত। কিন্তু এখন আর সেই রাস্তায় তারা হাঁটছে না। কেননা তারা জানে এখন তোলা আদায় করতে গেলে সমূহ বিপদ। প্রশাসন এখন সক্রিয়। তারা ছেড়ে কথা বলবে না।

যোগী আদিত্যনাথ বলেন, রাজ্যে এই সুশাসনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে প্রশাসন কড়া হাতে অপরাধ দমন করায়। এবং বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে অপরাধীদের দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি ঘোষণা করায়। ২০০৬ সালে ঊমেশ পাল অপহরণ মামলায় গ্যাংস্টার রাজনীতিবিদ আতিক আহমেদ-সহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, আতিক আহমেদের বিরুদ্ধে ১০০টিরও বেশি মামলা ছিল। কিন্তু এই প্রথম তিনি দোষীসাব্যস্ত হলেন এবং শাস্তি পেলেন। প্রয়াগরাজে শুনানির জন্য গুজরাতের সবরমতী জেল থেকে সমাজবাদী পার্টির প্রাক্তন সাংসদকে আনা হয়েছিল। যদিও আহমেদ জেল থেকে বের হওয়ার আগে বলেছিলেন তিনি ভয় পান না।

২০০৫ সালে বিএসপি বিধায়ক রাজু পাল হত্যার সাক্ষী ঊমেশ পালকে প্রয়াগরাজে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করার পর প্রশাসন আহমেদের সহযোগী এবং গ্যাংস্টারদের চিহ্নিত করেছিল। এই ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় মাফিয়াদের কড়া হাতে দমনের বার্তা দিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ।
তাঁর প্রশাসন সেটাই করে দেখাচ্ছে বর্তমানে। ২০১৮ সালের অন্য একটি মামলায় লখনউয়ের বিশেষ আদালত ব্যবসায়ী মোহিত জয়সওয়ালকে অপহরণের জন্য আহমেদ, তাঁর ছেলে উমর এবং অন্য ১৫ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে। সেখানে অভিযোগ করা হয় জেলে থাকা সত্ত্বেও, অপহরণের পরিকল্পনা করেছিলেন আহমেদ।












Click it and Unblock the Notifications