Yogi Adityanath: জনপ্রতিনিধিদের আদেশে কাজ নয়, সরকারি আধিকারিকদের কঠোর নির্দেশিকা যোগী সরকারের
উত্তর প্রদেশে যোগী সরকারের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। সরকারি আধিকারিকদের কাজে রাজনৈতিক নেতা বা জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে উদ্যেগী হল রাজ্য প্রশাসন। অনেক সময়ই সরকারি কাজে নিয়ম বর্হিভূতভাবে বিশেষত শাসক দলের রাজনৈতিক নেতাদের এবং জন প্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠে। এমনকি পুলিশ হোক বা সরকারি আমলা তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করারও কথা শোনা যায়।
এই পরিস্থিতি সরকারি আমলা বা অফিসারদের কাজের স্বাধীনতা বাড়াতে উদ্যেগী হল উত্তর প্রদেশ সরকার। সম্প্রতি একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনও সরকারি আমলা বা অফিসারকে জনপ্রতিনিধিরা ফোনে নির্দেশ দিতে পারবেন না। এমনি এই ধরনের ক্ষেত্রে সাংসদ বা বিধায়কদের ফোনও ধরতে পারবেন না।

বুধবার একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যেখানে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তরপ্রদেশ সরকারের পক্ষ সমস্ত দপ্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে,তাঁরা জনপ্রতিনিধিদের ফোনের সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন না, এমনকি তাঁদের নির্দেশ মানতেও বাধ্য থাকবেন না।
সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী, অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ না করলে আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনপ্রতিনিধিদের মোবাইল নম্বর তাদের ফোনে সংরক্ষণ করতে সরকার আধিকারিকদের ১৫ দিনের সময় দেওয়া হচ্ছে।
এই নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে, এই নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নির্দেশিকা অনুসারে, সব ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের ফোনে উত্তর দেওয়া হয় বা কল ব্যাক করা বাধ্যতামূলক নয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত মঙ্গলবার প্রশাসনিক বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করেন এক আমলা। সরকারি কাজে বা তদন্তের ক্ষেত্রে বার বারই জন প্রতিনিধিরা হস্তক্ষেপ করেন, এরফলে কোনও তদন্ত বা কাজের গতি যেমন ব্যহত হয় তেমনই কাজ করার ক্ষেত্রেও আধিকারিকরা সমস্যার মুখে পড়েন।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আগে অর্থমন্ত্রী এই বিষয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল রাজ্য সরকার।

নয়া নির্দেশিকা অনুসারে, কোনও বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে এই ধরণের কোনও ঘটনা ঘটলে স্থানীয় আধিকারিককে তাঁর তত্ত্বাবধায়ক আধিকারিকের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে হবে এবং তত্ত্বাবধায়ক থেকে সেই তথ্য জেলা প্রশাসনের কর্তাদের কাছে পৌঁছাবে। জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা বিষয়টির গুরত্ব বুঝে রাজ্য প্রশাসনের কাছে খবর পাঠাবেন। সেখানে প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বা মুখ্য সচিব আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবেন।












Click it and Unblock the Notifications