উত্তর প্রদেশের দ্বিতীয় যোগী সরকারের বর্ষপূর্তি, সাফল্যের তালিকা প্রকাশ করতে চলেছেন আদিত্যনাথ
উত্তর প্রদেশে দ্বিতীয় যোগী সরকারের বর্ষপূর্তি চলে এলো। এবার বেশ ধুমধাম করে এই উদযাপনের পরিকল্পনা করেছে যোগী সরকার। গত এক বছরে যে সাফল্য এবং কাজ যোগী সরকার করেছে তার তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বর্ষপূর্তিতে সেই তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

এই নিয়ে দ্বিতীয় দফায় উত্তর প্রদেশ শাসন করছেন যোগী আদিত্যনাথ। গত ৬ বছরে রাজ্যের উন্নয়নে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে তার খতিয়ান এবার প্রকাশ করতে চলেছেন যোগী। দ্বিতীয় দফায় উত্তর প্রদেশ শাসনের শ্বেত পত্র প্রকাশ করবেন তিনি। কী কী তার সরকার রাজ্যের উন্নয়নে করেছেন তার খতিয়ান পেশ করবেন তিনি। সূত্রের খবর সেই শ্বেত পত্রকে ২টি ভাগে ভাগ করেছেন যোগী।
শ্বেত পত্রের প্রথম ভাগে থাকবে গত ৬ বছরে কী কী কাজ তাঁর সরকার রাজ্যের কল্যাণের জন্য করেছে। আর দ্বিতীয় ভাগে তিনি প্রকাশ করবেন গত এক বছরে তাঁর সরকার রাজ্যের উন্নয়নে কী কী কাজ করেছে। ২০১৭ সাল থেকে উত্তর প্রদেশের ক্ষমতায় আসার পর তাঁর সরকার কী কী প্রকল্প শুরু করেছিলেন। এবং সেগুলির কাজ কীভাবে শেষ করা হয়েছে। তার সঙ্গে বিনিয়োগ এবং ডিফেন্স এক্সপো আয়োজনের সব তথ্য দেওয়া থাকবে।
শ্বেতপত্রের পাশাপাশি একটি রাজ্য সরকারের একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের একটি তথ্যচিত্রও তৈরি করা হয়েছে। সেই তথ্য চিত্রে হাইলাইট করা হয়েছে যোগী সরকারের একাধিক পরিষেবা প্রদান প্রকল্পকে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী কল্যাণ , কৃষি উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সহ একাধিক ক্ষেত্রে যোগী সরকারের কাজকে। সেই তথ্য চিত্র রাজ্যের সব শহরে এলইডি স্ক্রিনে দেখানো হবে।
তার পাশাপাশি একটি বুকলেটও তৈরি করা হয়েছে। তাতে ২০২৩ সালে উত্তর প্রদেশে যে বিনিয়োগ মেলার আয়োজন করা হবে তার ব্যাখ্যা দেওয়া রয়েছে। তাতে কোন কোন ক্ষেত্রে কোন কোন বিনিয়োগ টানা হবে তার তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে। রাজ্যের একাধিক উন্নয়ন মূলক প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরা হবে এই বুকলেটে। উত্তর প্রদেশকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে একাধিক প্রকল্প শুরু করেছে যোগী সরকার।যোগী সরকারের আগে উত্তর প্রদেশকে শিল্পবান্ধব করে গড়ে তুলতে কোনও সরকার উদ্যোগী হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। সেই সঙ্গে উত্তর প্রদেশের উন্নয়নে এবং কর্মসংস্থান ৈতরি করতে উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা নিয়েছে যোগী সরকার। রাজ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাতে শুরু করেছে একাধিক শিল্পসংস্থা। ইতিমধ্যেই লখনউ, নয়ডা সহ একাধিক জায়গায় শিল্পস্থাপন করতে শুরু করেছে তারা। যাতে রাজ্যের বাসিন্দাদের অন্য রাজ্যে গিয়ে কাজ করতে না হয় তার ব্যবস্থা নিচ্ছেন যোগী সরকার।
শিল্প স্থাপনের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা হচ্ছে। বিমান বন্দরের উন্নয়ন থেকে শুরু করে সড়ক পরিষেবার উন্নয়ণ করা হচ্ছে। রাজ্যের সব রাজ্য সড়কগুলির সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাস পরিষেবারও উন্নয়ন করা হচ্ছে। বিমানবন্দরের আদলে তৈরি হচ্ছে বাস পোর্ট। ইতিমধ্যেই তার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। একাধিক সদর শহরের সঙ্গে রাজধানী লখনউয়ের যোগাযোগী তৈরি করতে বিশেষ বাস পরিষেবা চালু করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications