যোগী-রাজ্যে সরকারি স্কুলে ছাত্র সংখ্যা বেড়েই চলেছে, ২০১৭ থেকে ২০২৩-এর পরিসংখ্যানই প্রমাণ
যোগী-রাজ্যে সরকারি স্কুলের সংখ্যার সঙ্গে উত্তরোত্তর বাড়ছে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির সংখ্যা। ২০১৭ সালে সরকারি স্কুলে ছাত্রের সংখ্যা যেখানে ছিল ১.৩৪ কোটি, সেখানে ২০২৩ সালে সরকারি স্কুলে ছাত্রের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১.৯২ কোটি। যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, উত্তরপ্রদেশে সরকারি স্কুলে ছাত্রের সংখ্যা বৃদ্ধি স্কুল চলো প্রচারের কার্যকারিতা প্রমাণ করে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ শনিবার ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকার 'স্কুল চলো অভিযানে' দুর্দান্তভাবে এগিয়ে গিয়েছে। কারণ রাজ্য-চালিত স্কুলগুলিতে নথিভুক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয়েছে স্কুল চলো অভিযান। এই অভিযানে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১০০ শতাংশ অন্তর্ভুক্তি নথিভুক্ত নিশ্চিক করাই যোগী সরকারের লক্ষ্য।

যোগী আদিত্যনাথ সম্প্রতি সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন অভিভাবরদের কাছে। তিনি জোর দিয়েছিলেন শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে। তাঁর সরকার শিক্ষার পরিকাঠামো উন্নত করতে বেশ কিছু উপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০১৭ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে রাজ্যের স্কুলগুলিতে প্রাথমিক সুবিধার অভাব ছিল। সেই অভাব পূরণের চেষ্টা করে চলেছে যোগী সরকার।
তিনি বলেন, "এটি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব যে একটিও শিশু যেন স্কুল শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং কোনো শিশু একটি সংক্রামক রোগের শিকার না হয়। এই আঙ্গিকেই প্রচারাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। আদিত্যনাথ স্কুল শিক্ষার পাশাপাশি সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে প্রচারও শুরু করেছিলেন।
তিনি অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কারণ প্রতিটি শিশু স্কুলে গেলেই রাজ্য ১০০ শতাংশ সাক্ষরতার হার অর্জন করতে পারে। আদিত্যনাথের মতে, গত ছয় বছরে বিজেপি সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলি প্রতিটি ক্ষেত্রে শিক্ষা ক্ষেত্রের অগ্রগতি স্পষ্ট করেছে।
যোগী সরকারের একটি রিপোর্ট বলছে, 'স্কুল চলো' অভিযানে ভর করে মোট ১.৫৬ লাখের মধ্যে ১.৩৬ লাখ স্কুলকে কভার করেছে এবং ছাত্রছাত্রীদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা, স্মার্ট ক্লাস ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করেছে। বাকি ২০ হাজার স্কুলও বিবেচনাধীন রয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আরও বলেন, শুধুমাত্র প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক শিক্ষায় ১.৬০ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, যা ইঙ্গিত করে যে অতীতে শিক্ষকের অভাব ছিল। তিনি একটি ডাটাবেস তৈরি করার পরামর্শ দিয়েছেন। তাহলে প্রতিটি পরিবারে শিশুর সংখ্যা এবং তাদের মধ্যে কতজন স্কুলে ভর্তি হয়েছে, সেই পরিসংখ্যান সামনে চলে আসবে।
আদিত্যনাথ সুপারিশ করেছেন বেসিক এডুকেশন কাউন্সিলের উচিত এর জন্য একটি পোর্টাল তৈরি করা এবং প্রতিটি স্কুল থেকে ডেটা সংগ্রহ করা। তাহলে স্কুল চলো অভিযান সঠিক পথে এগিয়ে যাবে। উত্তরপ্রদেশে স্বাক্ষরতার হারও ১০০ শতাংশের দিকে এগিয়ে যাবে।
-
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে












Click it and Unblock the Notifications