উত্তর প্রদেশে দেখা মিলছে না বিরোধীদের! রাজ্য জুড়ে নির্বাচনী প্রচারে যোগী আদিত্যনাথ

২০২৪-এ সাধারণ নির্বাচন। বিজেপির টার্গেট যত বেশি সংখ্যাক লোকসভার আসন উত্তর প্রদেশ থেকে দখল করা। তারই মহড়া চলছে পুরভোটে। এই ভোট বিজেপির কাছে প্রতিপত্তি বাড়ানোর লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। কেননা যেখানে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্য জুড়ে প্রচার চালাচ্ছেন, সেখানে কার্যত উধাও বিরোধীরা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তার কাকা শিবপাল যাদবকে মাঝে মধ্যে দলের কর্মী এবং প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠকে দেখা গেলেও, সেরকম সক্রিয় নন বিএসপি প্রধান মায়াবতী। অন্যদিকে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী কিংবা প্রিয়ঙ্কার দলীয় প্রার্থীদের জন্য প্রচারের সম্ভাবনা ক্ষীণ।

যোগী আদিত্যনাথ

অন্যদিকে যোগী আদিত্যনাথ ইতিমধ্যেই দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে ৩৬ টির বেশি নির্বাচনী সমাবেশ করে ফেলেছেন। যা ১৭ টি পুর কর্পোরেশন, নগর পালিকা পরিষদ এবং নগর পঞ্চায়েতকে নিয় কভার করেছে। বিজেপি গ্রামীণ এলাকা বাদ দিয়ে স্থানীয় সংস্থাগুলিতে বড় বিরোধিতার মুথে পড়তে পারে সে কথা মনে রেখে যোগী আদিত্যনাথ এনপিপি এবং এনপির দিকে মনোনিবেশ করেছেন।

উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০১৭-র নির্বাচনে বিজেপি এনপিপির চেয়ারপার্সন পদে ৩৫ শতাংশের বেশি আসনে জয় পেয়েছিল। এসপি ও বিএসপি জিতেছিল যথাক্রমে ২৩ ও ১৫ শতাংশ আসন। অন্যদিকে এনপির ক্ষেত্রে বিজেপি জিতেছিল ২৩ শতাংশ আসন। এসপি ও বিএসপি জিতেছিল যথাক্রমে ১৯ ও ১০ শতাংশ আসন।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী বছরের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নাগরিক নির্বাচনে বিরোধীদের কোনওভাবেই বিরোধীদের ভিত শক্ত করতে দেবে না। যে কারণে প্রচারে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যোগী আজিত্যনাথ নিজে। তাঁর সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন দলের সংখ্যালঘু মোর্চা এবং এসসি-এসটি মোর্চার নেতারা।

যোগী আদিত্যনাথ

দলের এক প্রবীণ নেতা জানিয়েছেন বিজেপির এই কাজের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন রাজ্য বিজেপি প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরী এবং রাজ্য সম্পাদক ধমরপাল সিং। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে উত্তর প্রদেশ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় থাকা মন্ত্রীরাও প্রচার যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।

উত্তর প্রদেশ বিজেপির মুখপাত্র বলছেন, দল প্রত্যেক নির্বাচনকে গুরুত্ব দেয়। এবার জয় বজায় রাখতে নেতা-কর্মীরা পরিশ্রম করছেন। যেখানে আক্রমণাত্মক ভূমিকা পালন করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বিরোধী শিবিরের দাবি, জনগণের মধ্যে অসন্তোষ ক্রমবর্ধমান। যে কারণে দলীয় নেতৃত্ব চিন্তিত। আর অখিলেশ যাদবের প্রচারে না যাওয়া প্রসঙ্গে দলের ব্যাখ্যা হল, তিনি আগের নির্বাচনে প্রচারে নামেননি। অন্যদিকে কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের সিনিয়র নেতারা কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+