হিংসার জায়গা নেই, ছয় বছরে বদলে গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ! জানালেন যোগী আদিত্যনাথ
শিক্ষা হল সমাজের মানুষের অনুভূতি বোঝার মাধ্যম! এমনটাই মনে করেন যোগী আদিত্যনাথ। সম্প্রতি তাঁর বাসভবনে 'এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত' এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একাধিক রাজ্য থেকে আসা পড়ুয়ারা আসেন। আর তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।
আর সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, শিক্ষা সমাজের থাকা মানুষের অনুভুতি বোঝার মাধ্যম। মুখ্যমন্ত্রী পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের অনেকেই প্রথমবারের জন্যে উত্তরপ্রদেশ এসেছেন। তবে যিনি যে রাজ্যেরই হোন না কেন কিন্তু দেশ প্রেম সবার আগে বলেও মন্তব্য যোগীর।

শুধু তাই নয়, যখন দেশ সঙ্কটের মধ্যে আসে সেই সময় সমস্ত রাজ্য একজোট হয়েই লড়াই করে বলেও মন্তব্য করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। পড়ুয়াদের মধ্যে ৩৫ জন কেরল থেকে এবং ১০ জন লক্ষ্মদীপ থেকে এসেছিলেন। ছাত্রদের পাশাপাশি ছাত্রীরাও যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে দেখা করেন।
ওই আলাপচারিতায় ছাত্রদের একাধিক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সফল জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্যও পড়ুয়াদের সঙ্গে শেয়ার করেন যোগী। পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, কেরালার মতো উত্তরপ্রদেশও দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। জনসংখ্যার বিচারে দেশের সবথেকে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশ।
কিন্তু এরপরেও এখানে কোনও কার্ফু কিংবা দাঙ্গার জায়গা নেই বলেও স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু এমন অবস্থা আগে এমন ছিল না। ধর্মের ভিত্তিতে এখানে হিংসা হত। মানুষ উত্তরপ্রদেশ ছেড়ে পালাতেন। কিন্তু গত বছরে উত্তরপ্রদেশকে বদলানোর সবরকম চেষ্টা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য যোগী আদিত্যনাথের।

পড়ুয়াদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, "আমরা পরিষেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাখি। ধর্ম মানে কর্তব্য। আর এই কর্তব্য এবঞ্জগ পরিষেবাকে একসঙ্গে জুড়েই এগোচ্ছে এই রাজ্য। ক্রমশ বিকাশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন যোগী। বলে রাখা প্রয়োজন, উত্তরপ্রদেশ জুড়ে কার্যত উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে।
স্বাস্থ্য থেকে শিক্ষা-কর্মসংস্থান থেকে শিল্প একাধিক ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়েছে এই রাজ্য। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্ব গোটা উত্তরপ্রদেশ জুড়ে উন্নয়নের কাজ চলছে। আর সেই বিষয়টিই পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী।












Click it and Unblock the Notifications