Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

উত্তরপ্রদেশে রেশম চাষ থেকে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হবে! উপায় জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

উত্তরপ্রদেশে রেশম চাষ থেকে কৃষকদের আয় বাড়ানোর উপায় বাতলে দিলেন যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, রেশম চাষ থেকে কৃষকদের আয় দ্বিগুণ হতে পারেষ তার জন্য কিছু নির্দিষ্ট কাজ করতে হবে। সে ব্যাপারেই কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ চাইছেন রেশম উৎপাদ ব্যবসার সঙ্গে কৃষকদের যুক্ত করত। আর এই কাজ করতে উত্তরপ্রদেশ সরকার বারাণসীতে একটি সিল্ক এক্সচেঞ্জ খুলেছে সম্প্রতি। এই অবস্থায় যোগী সরকার কৃষকদের বাড়তি আয়ের জন্য সমস্ত কৃষকদের তাদের ক্ষেতে তুঁত গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছে।

যোগী আদিত্যনাথের পরামর্শ কৃষকদের

উত্তরপ্রদেশ সরকার সম্প্রতি কৃষকদের আয় বাড়াতে এই বিষয়ক পরিকল্পনা তৈরি করেছে। যোগী সরকার চাইছে তাদের রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কৃষককে রেশম চাষের সঙ্গে যুক্ত করতে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই মর্মে কৃষকদের এক বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন। তার মধ্যে প্রথমন পরামর্শ তুঁত চাষে বেশি মনোযোগ দেওয়া।

যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, এই রেশম চাষের ফলে কৃষকরা ৮০ হাজার থেকে ১-২৫ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। এমনিতেই উত্তরপ্রদেশে ব্যাপক রেশন উৎপাদন হয়। তা আরও বাড়ানোর জন্য কৃষকদের আরও বেশি করে তুঁত চাষের পরামর্শ দিয়েছেন য়োগী আদিত্যনাথ।

cultivation in Uttar Pradesh

উত্তরপ্রদেশের ৫৭টি জেলায় রেশম উৎপাদন হয়। এই রেশন উৎপাদন ব্যবসার প্রচারের জন্য বারাণসীতে সিল্ক এক্সচেঞ্জ খোলা হয়েছে বলে ঢালাও প্রচার চালাচ্ছে যোগী সরকার। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, উত্তরাখণ্ড যখন উত্তরপ্রদেশ থেকে আলাদা হয়েছিল, তখন উত্তরপ্রদেশে ২২ টন রেশম উৎপাদিত হত। এখন এই উৎপাদন রাজ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫০ টন।

যোগী সরকার আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যে রেশম ব্যবসাকে আরও বাড়িয়ে কৃষকদের আয় বহুগুণে বাড়াতে চায়। সেই মর্মেই যাবতীয় উদ্যোগ নিচ্ছেন যোগী আদিত্যনাথ। এ জন্যই কৃষকদের তুঁত চাষের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তুঁত গাছে রেশম উৎপাদন হয়। পোকামাকড় এই গাছের পাতায় তাদের লালা থেকে রেশম তৈরি করে।

cultivation in Uttar Pradesh

বিজ্ঞানীদের মতে, এক একরে ৫০০ কেজি রেশম কীট প্রয়োজন। রেশম কীটের বয়স দুই থেকে তিন দিন ধরা হয়। এটি দৈনিক ২০০ থেকে ৩০০ ডিম পাড়ার ক্ষমতা রাখে। ডিমের লার্ভা ১০ দিনের মধ্যে বেরিয়ে আসে। লার্ভা মুখ থেকে একটি তরল প্রোটিন নিঃসরণ করে। এই প্রোটিন বাতাসের সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে শক্ত হয়ে যায় এবং একটি সুতোয় রূপ নেয়।

ওই সুতোর মতো দেখচে পদার্থকে বলে কোকুন। সিল্ক তৈরিতে কোকুন ব্যবহার করা হয়। গরম জল ঢাললে কোকুনে থাকা পোকামাকড় মারা যায়। এই কোকুন তারপর রেশম মধ্যে কাটা হয়। এই রেশম চাষে এখন বাম্পার লাভ হচ্ছে। কেননা রেশম সিল্কের সুতো শাড়ি ও দোপাট্টা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

সুতোর দাম প্রতি কেজি ২ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকা। সুতোর মান অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। এমতাবস্থায় কৃষক যদি সঠিক পদ্ধতিতে রেশম চাষ করেন তাহলে অল্প সময়ে লক্ষাধিক মুনাফা পেতে পারেন। যোগী সরকার সেই ব্যবস্থাই করতে চাইছেন রাজ্যের কৃষকদের জন্য।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+