আপ প্যানেল থেকে বাদ পড়লেন যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ
নয়াদিল্লি, ৪ মার্চ : আম আদমি পার্টির রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটি থেকে বাদ পড়লেন দলের দুই প্রবীন নেতা যোগেন্দ্র যাদব এবং প্রশান্ত ভূষণ। আপ-এর কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই দুই নেতাকে ভোটের ভিত্তিতে বাদ দেওয়া হল।
গত কয়েকদিন ধরে আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরোধিতা করছিলেন এই দুই নেতা। যদিও আপের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা পার্টি প্রধান কেজরিওয়ালেরই সঙ্গে যে রয়েছেন তা এদিন ভোটের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছেন। যদিও এই গণ্ডগোলের মধ্যে পড়তে চাইছিলেন না কেজরি। তাই চিঠিতে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন কাজের এত চাপ, মুখ্যমন্ত্রী এবং দলের প্রধানের দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। আর তাই তিনি পার্টি প্রধানের পথ থেকে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন। যদিও দল সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

আজ ভাগ্য নির্ধারণ যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণের, আপ-এর বৈঠকে অনুপস্থিত থাকবেন কেজরিওয়াল!
নয়াদিল্লি, ৪ মার্চ : আজ বসতে চলেছে আপ-এর কার্যকরী কমিটির বৈঠক। ভাগ্য নির্ধারণ হতে পারে আপের বিক্ষুব্ধ সদস্য যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণের। তবে বৈঠকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা দলের প্রধান মুখ অরবিন্দ কেজরিওয়াল সম্ভবত উপস্থিত থাকবেন না বলে জানা গিয়েছে।
আজকের বৈঠকে দলের অন্যতম দুই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণের সাম্প্রতিক কার্যকলাপ ও দলে তাঁদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হবে। দলের রাজনীতি বিষয়ক কমিটি থেকে যোগেন্দ্র যাদব ও প্রশান্ত ভূষণকে ছেঁটে ফেলতে কেজরিওয়াল অনুগামীরা একপ্রকার তৈরি হয়েই এদিনের বৈঠকে যোগ দেবেন বলে আপ সূত্রে খবর।
গতকালই স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট টুইটারে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী গোটা ঘটনা সম্পর্কে বলেন, "দলের মধ্যে যা চলছে তাতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।" গোটা ঘটনাকেই দিল্লিবাসীর প্রতি বিশ্বাসভঙ্গতা বলে বর্ণনা করেন তিনি। পাশাপাশি এও জানান যে, এই ধরনের ঘটনা থেকে দূরে সরে দিল্লির উন্নয়নেই মনোনিবেশ করবেন তিনি। তার সূত্র ধরেই আজকের বৈঠকে কেজরিওয়াল অনুপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। আপ সূত্রে খবর, ভাবমূর্তির প্রশ্নে কেজরি চান না তাঁর সামনে যোগেন্দ্র যাদব বা প্রশান্ত ভূষণকে নিয়ে কোনও কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।
গত কয়েকদিন ধরেই আম আদমি পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বের খবরে সরগরম দিল্লির রাজনীতি। একটি ফোন কলের রেকর্ডে শোনা গিয়েছে প্রশান্ত ভূষণ কেজরিওয়াল বিরোধী মন্তব্য করছেন। শুধু তাই নয় দলের মুখপাত্রের তরফে সংবাদমাধ্যমের কাছে দাবি করা হয়েছে, দলের নেতৃত্ব থেকেও নাকি অরবিন্দ কেজরিবালকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
এছাড়া বেশ কয়েকটি গোপন চিঠি প্রকাশ্যে এসেছে, যার ফলে আরও প্রকট হয়েছে দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব। চিঠি থেকে জানা গিয়েছে, যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ এবং তাঁর বাবা শান্তি ভূষণ মিলে কেজরিওয়ালকে সরিয়ে দলনেতার পদে বসাতে চেয়েছিলেন যোগেন্দ্র যাদবকে। প্রশান্ত ভূষণ চেয়েছিলেন দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে হেরে যাক আপ।
ফলে সবমিলিয়ে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় তার দিকেই এখন তাঁকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।












Click it and Unblock the Notifications