Karnataka: অত্যাচারের পর মৃত ভেবে শিক্ষিকাকে মাটিতে পুঁতল দুষ্কৃতীরা, ফুঁড়ে বেরিয়ে থানায় মহিলা; কীভাবে?
Karnataka: কর্ণাটকে যোগশিক্ষিকাকে (Yoga Teacher) রাস্তা থেকে অপহরণ করে অত্যাচারের পর মৃত ভেবে জ্যান্ত পুঁতে দিল একদল দুষ্কৃতী। কিন্তু যোগশিক্ষাকে কাজে লাগিয়েই মাটি ফুঁড়ে বেঁচে ফিরলেন মহিলা। অভিযোগের ভিত্তিতে এক নাবালক-সহ চারজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
কর্ণাটকের চিক্কাবল্লাপুর জেলায় ২৩ অক্টোবর ঘটনাটি ঘটে। বিন্দু নামের এক মহিলা তাঁর স্বামী সন্তোষ কুমারের সঙ্গে ওই যোগশিক্ষিকার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করেন। এরপর নিজের বন্ধু সতীশ রেড্ডিকে ওই যোগশিক্ষিকার উপর রেইকি করতে বলেন বিন্দু। বেঙ্গালুরুতে বেসরকারি ডিটেকটিভ এজেন্সিতে কর্মরত সতীশ যোগশিক্ষিকার সঙ্গে বন্ধুত্বের অছিলায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে।

এরপরই গত ২৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ যোগশিক্ষিকার বাড়ির সামনে রাইফেল শুটিংয়ের নাম করে যোগশিক্ষিকাকে গাড়িতে তোলেন সতীশ। আচমকাই তিনজন ব্যক্তি-সহ এক নাবালক গাড়িতে উঠে পড়ে। ৩০ কিলোমিটার দূরের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলার উপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়। মহিলাকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির পর জ্যান্ত মাটিতে পুঁতে দেয় অভিযুক্তরা।
শুধু তাই নয়, মহিলার থেকে টাকা-পয়সা ও গয়না লুট করে অভিযুক্তরা। শ্বাস ধরে রেখে মৃত্যুর ভান করেন ওই মহিলা। এরপর পুঁতে দিয়ে (Buried) পাথর-মাটি চাপা দিয়ে পালায় তারা। মাটি ফুঁড়ে বেরিয়ে কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন নির্যাতিতা। হেঁটে এসে স্থানীয়দের থেকে জামাকাপড় জোগাড় করে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ছুটে যান তিনি।
পরে ওই যোগশিক্ষিকা পুলিশকে গোটা ঘটনার কথা জানান। যোগ প্রশিক্ষণের কারণে শ্বাস ধরে (Hold Breathe) রেখেছিলেন বলে পুলিশকে জানান ওই মহিলা। মাটিতে লুটিয়ে পড়ার ভান করলে তাঁকে পুঁতে দিয়ে পালায় অভিযুক্তরা।
অভিযোগের ভিত্তিতে মূল অভিযুক্ত বিন্দুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নির্দেশেই চার চারজন সুপারি কিলারকে ভাড়া করা হয় বলে জানতে পারে পুলিশ। বিন্দুর পাশাপাশি সতীশ, রামনা, নগেন্দ্র, রবিচন্দ্র নামে চার অভিযুক্তসহ জড়িত এক নাবালককেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications