উত্তরপ্রদেশে ফের ডুবল বিজেপি, যোগীর রাজ্যই লোকসভায় পতনের পথ প্রশস্ত করার পথে
যে উত্তরপ্রদেশে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মোট প্রাপ্ত আসনের এক চতুর্থাংশ একাই পাইয়ে দিয়েছিল, সেই যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যেই বিজেপির পতনের পথ প্রশস্ত করার পথে।
যে উত্তরপ্রদেশে ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে মোট প্রাপ্ত আসনের এক চতুর্থাংশ একাই পাইয়ে দিয়েছিল, সেই যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যেই বিজেপির পতনের পথ প্রশস্ত করার পথে। এর আগে ফুলপুর ও গোরক্ষপুরে বিজেপি কয়েকমাস আগে হওয়া লোকসভা আসনের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে হেরেছিল। এবারও লোকসভা-বিধানসভা নির্বাচনের উপনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হল।

আঞ্চলিক দলগুলি কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে কুপোকাত করল। কৈরানায় লোকসভা আসনে ও নূরপুরে বিধানসভা আসনে বিজেপি পরাজিত হয়েছে। এই হার বিজেপিকে আগামী ২০১৯ লোকসভা ভোটে বড় ধাক্কা দিতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
উত্তরপ্রদেশে ২০১৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল দেখলে দেখা যাবে বিজেপি ৮০টি আসনের মধ্যে ৭১টি পেয়েছিল ও জোটসঙ্গী ২টি আসন পেয়েছিল। সবমিলিয়ে এনডিএ জোট পেয়েছিল ৭৩টি আসন।
তারপরে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় আসে গতবছরে। তবে তারপর থেকেই শুরু হয়েছে অধঃপতন। পরপর উপনির্বাচনে হেরে চলেছে বিজেপি। এক্ষেত্রে বিরোধী সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি, কংগ্রেস সকলে একসঙ্গে হাত মিলিয়েছে। আর তাতেই কেন্দ্রের সরকারি দলকে নড়িয়ে দেওয়া গিয়েছে।
আগের দুটি কেন্দ্রে লোকসভা উপনির্বাচনে যেমন বিজেপি হেরেছে, এবারও একটি আসনে লোক জনশক্তি দলের কাছে কৈরানায় ও অন্য জায়গায় সমাজবাদী পার্টির কাছে নূরপুরে হারতে হল।
মূলত ওবিসি, দলিত ও মুসলমান ভোটের সিংহভাগ বিরোধীদের দখলে গিয়েছে। যার ফলে এই ভোট ভাগ না হলে একজোট বিরোধীদের ভাগে পড়েছে। এই ঐক্যবদ্ধ বিরোধিতাই উত্তরপ্রদেশ সহ সারা দেশে বিজেপির ভরাডুবির কারণ হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications