মহারাষ্ট্রে তলে তলে ফের একবার ভোটে লড়তে প্রস্তুত হচ্ছে বিজেপি শিবির
মহারাষ্ট্র নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে শিবসেনার আচরণে ক্ষুব্ধ বিজেপি। রবিবার সাংবাদিকদের এই কথাই জানান রাজ্যের বিজেপি মন্ত্রী জয় কুমার রাওয়াল।
মহারাষ্ট্র নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতিতে শিবসেনার আচরণে ক্ষুব্ধ বিজেপি। রবিবার সাংবাদিকদের এই কথাই জানান রাজ্যের বিজেপি মন্ত্রী জয় কুমার রাওয়াল। মহারাষ্ট্রের ধুলে থেকে নির্বাচিত বিধায়ক রাওয়াল দাবি করেন যে বিজেপি নেতা-কর্মীরা আবার রাজ্য নির্বাচনে লড়তে প্রস্তুত।

বিজেপি নেতার দাবি
সাংবাদিকদের রাওয়াল বলেন, "আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা খুব ক্ষুব্ধ। প্রথমে শিবসেনা আমাদের সঙ্গে জোট বেঁধে নির্বাচনে লড়ল। এখন তারা আমাদের ব্ল্যাকমেল করছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই তারা তাদের রূপ পাল্টেছে। যদি পরিস্থিতি এরকমই চলতে থাকে তবে আমরা আবার নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত। মহারাষ্ট্রের জনগণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ ও দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে আছে।"

শিবসেনার আচরণে তারা খুব ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা
তিনি আরও বলেন, "আজ কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে আমি জানতে পারলাম যে শিবসেনার আচরণে তারা খুব ক্ষুব্ধ। তারা দরকারে আবার নির্বাচনে যেতে প্রস্তুত। কর্মীদের বক্তব্য, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ার ফলেই শিবসেনা এত আসন পেয়েছে। এই মনোভাব শুধু ধুলেতে নয়, সারা মহারাষ্ট্র জুড়ে রয়েছে।"

৮ নভেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ রেয়েছে বর্তমান সরকারের
বর্তমান সরকারের মেয়াদ ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। এর আগে ৭ নভেম্বরের মধ্যে স্থিতিশীল সরকার গঠন সম্ভব না হলে মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হবে বলে দাবি করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী তথা বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা সুধীর মুঙ্গান্তিওয়ার। এদিকে একে অপরের স্নায়ুর চাপ বাড়াতে ব্যস্ত রয়েছে সেনা-বিজেপি, দুই দলই। এর মাঝে ঝুলে রয়েছে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া।

বেড়েই ছলেছে রাজনৈতিক চাপানউতর
এদিকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে তরজার মাঝে বেড়ে ছলেছে রাজনৈতিক চাপানউতর। বিজেপির সঙ্গে ক্রমশই বাড়ছে শিবসেনার দূরত্ব। এরকম পরিস্থিতিতে আজ মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগত সিং কোশিয়ারির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে শিবসেনার প্রতিনিধি দল। গতকাল শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত দাবি করেন যে তাদের সঙ্গে ১৭০ জন বিধায়কের সমর্থন আছে। সেই সংখ্যাটা ১৭৫-ও হয়ে যেতে পাড়ে। এই পরিস্থিতে মুখ্যমন্ত্রী তাদের দলের হবে বলেই দাবি করেন তিনি। তিনি আরও জানান, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে বিধানসভার একক বৃহত্তম দলকে সরকার গঠনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলবেন রাউত। তবে পরে তারা সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ না করতে পারলে যেন বাকিদের সুযোগ দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications