লকডাউন পরবর্তী সময়ে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমেই’ খুলতে পারে কাজের নতুন দিগন্ত
লকডাউন পরবর্তী সময়ে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমেই’ খুলতে পারে কাজের নতুন দিগন্ত
ইতিমধ্যেই আর্থিক মন্দা কাটাতে বিশ্বজুড়ে বেশিরভাগ দেশই বর্তমানে লকডাউন বিধি শিথিল করার দিকে জোর দিচ্ছে। কিন্তু পুরনো অফিস আর কর্মক্ষেত্র গুলি পুনরায় আবার কবে আবার কর্মমুখর হয়ে উঠবে তা বলতে পারছেন না কেউই।

ওয়ার্ক ফর্ম হোমেই কী নতুন দিশা ?
এদিকে লকডাউন চালু হতেই ভারত সহ বিভিন্ন দেশে একাধিক সংস্থা তাদের কর্মাচারীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে। বিশেষত তথ্য প্রযুক্তি সংস্থার কর্মীদের উপর পড়েছে বেশিরভাগ চাপ। এমতাবস্থায় অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছে লকডাউন পরবর্তী সময়ে পৃথিবীকে নতুন দিশা দেখাতে পারে এই ওয়ার্ক ফ্রম হোমই।

কী বলছে গ্লোবাল ওয়ার্কপ্লেস অ্যানালিটিকস ?
গ্লোবাল ওয়ার্কপ্লেস অ্যানালিটিকসের সভাপতি কেট লিস্টারেরও ধারণা খানিক একই। তাদর মতে লকডাউন পরবর্তী সময়ে জমায়েত বন্ধ থাকতে পারে দীর্ঘ দিনের জন্য। তাই এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সংস্থাকে টিকে থাকতে গেলে কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করানোই হতে পারে একমাত্র পন্থা।

কী ভাবে কাজ করবেন টিসিএস-র কর্মাচারীরা ?
টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস বা টিসিএস জানিয়েছে তাদের প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ কর্মচারীর মধ্যে ৭৫ কর্মী ২০২৫ সালের আগে বাড়ি থেকে কাজ করতে পারেন। টিসিএস জানাচ্ছে তারা আগামীতে তাদের সমস্ত অফিসিয়াল কাজকেই ২৫*২৫ কার্যক্রমে ভেঙে ফেলতে চাইছে। অর্থাত্ রুটিন অনুযায়ী ২৫ শতাংশ কর্মীর অফিসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক হবে। বাকী সকলেই বাড়ি বসে কাজ করবেন। কিন্তু সর্বমোট উপস্থিতির হার থাকবে ১০০ শতংশই।

আগামী দু-বছর বাড়ি থেকে কাজ করতে পারেন ৩ কোটি মার্কিন কর্মচারী
অন্যদিকে গ্লোবাল ওয়ার্কপ্লেস অ্যানালিটিক্স অপর একটি তথ্য জানাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আড়াই কোটি থেকে ৩ কোটি কর্মচারীকে আগামী দুই বছরের জন্য নিয়মিত বাড়ি থেকেই কাজ করতে হতে পারে। বর্তমানে যত সংখ্যক মানুষ এই পদ্ধতিতে কাজ করেন এই পরিসংখ্যান তার পাঁচ গুণ বেশি বলে জানিয়েছে গ্লোবাল ওয়ার্কপ্লেস অ্যানালিটিক্স। একই চিত্র দেখা দিতে পারে ইউরোপের দেশ গুলিতেও।












Click it and Unblock the Notifications