সোশ্যাল মিডিয়া 'অপব্যবহার' করলে সাবধান! এমনই পদক্ষেপ নিতে পারে সরকার
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রভাব-প্রচার থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে চেষ্টা চালাবে সরকার । এই ধরনের প্রচার যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে না পারে সে বিষয়টিও দেখা হবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রভাব-প্রচার থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে চেষ্টা চালাবে সরকার । এই ধরনের প্রচার যাতে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে না পারে সে বিষয়টিও দেখা হবে। জি-টোয়েন্টি দেশের মন্ত্রীদের সমাবেশে এমনটাই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মের তথ্যের অপব্যবহার নিয়ে ভারত আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আর্জেন্টিনার সালাটায় এমনটাই জানিয়েছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে নির্বাচনী প্রক্রিয়া অপব্যবহারের কাজে লাগানো উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়াকে অপব্যহার করে কোনও রাজনৈতিক দল যাতে বাড়তি সুবিধা আদায় করতে না পারে, তার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রবিশঙ্কর প্রসাদ। যদি মনে হয় সোশ্যাল মিডিয়ার কোনও পোস্ট নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছে, তবে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তা মুছে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ফলে সরকারের সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কাণ্ডে দেখা গিয়েছিল, ফেসবুক কিংবা টুইটারের তথ্যের অপব্যবহার করা হয়েছে নির্বাচনী ফলাফলকে প্রভাবিত করতে। গত মার্চে দেখা গিয়েছিল, কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা তথ্যের অপব্যহার করেছিল। তাদের সঙ্গে ফেসবুকের পার্টনারশিপ ছিল। সেই সুযোগ নিয়েছিল কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা। এই কোম্পানি ২০১৬-তে বেক্সিট ভোট এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই পদ্ধতি কাজে লাগিয়েছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ফেসবুকের চিফ এগজিকিউটিভ মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলেন, থার্ডপার্টি অ্যাপ্লিকেশনে ডেটা শেয়ারের ক্ষেত্রে তাদের প্ল্যাটফর্মে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। তথ্য ফাঁসের জন্য ক্ষমাও চেয়েছিলেন তিনি।
ভারতের ভোট সংক্রান্ত কোনও তথ্য যদি অপব্যবহার করা হয়, তাহলে সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানোর কথাও এর আগে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।












Click it and Unblock the Notifications