Women's Reservation Bill: মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিরাট দাবি সোনিয়ার, কংগ্রেস কি সমর্থন করবে?
Women's Reservation Bill: আজ গণেশ চতুর্থীর দিন থেকে সংসদের বিশেষ অধিবেশন বসবে নতুন ভবনে। এই বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই এই বিলটি আনার ক্ষেত্রে অনুমোদন দিয়েছে। যা পাস হয়ে গেলে জনপ্রতিনিধিত্বের নিরিখে আরও বাড়বে মহিলা সাংসদ, বিধায়কের সংখ্যা। মহিলা সংরক্ষণ বিল সমর্থন করবে কংগ্রেসও।

কংগ্রেস বারবারই মহিলা সংরক্ষণের বিষয়ে দাবি জানিয়ে এসেছে। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী আজ দাবি করেছেন, মহিলা সংরক্ষণ বিল কংগ্রেসেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। পুরানো সংসদ ভবনে শেষবার অধিবেশনে যোগ দেওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান সোনিয়া গান্ধী। তাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় মহিলা সংরক্ষণ বিলে বিরোধিতা করবে না কংগ্রেস।
রবিবার জয়রাম রমেশ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, পাঁচ দিনের এই অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস হোক, কংগ্রেসের কর্মসমিতি সেটাই চাইছে। তিনি উল্লেখ করেন, পঞ্চায়েত ও নগরপালিকায় এক-তৃতীয়াংশ মহিলা সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করতে ১৯৮৯ সালের মে মাসে প্রথম সংবিধান সংশোধন বিল এনেছিলেন রাজীব গান্ধী।

লোকসভায় বিল পাস করানো গেলেও ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তা রাজ্যসভায় পাস করানো যায়নি। রমেশ আরও জানিয়েছেন, পরবর্তীকালে প্রধানমন্ত্রী হয়ে পিভি নরসিমা রাও একই বিল ফের আনেন ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। সেবার বিল সংসদের দুই কক্ষেই পাস হয় এবং আইনেও রূপান্তরিত হয়। পঞ্চায়েত ও নগরপালিকায় বর্তমানে ১৫ লক্ষের বেশি জনপ্রতিনিধি রয়েছেন।
এই মহিলা জনপ্রতিনিধির সংখ্যা বর্তমানে ৪০ শতাংশের আশেপাশে বলে দাবি রমেশের। তিনি আরও জানিয়েছেন, ২০১০ সালের ৯ মার্চ সংসদ ও বিধানসভাতেও এক-তৃতীয়াংশ মহিলা সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করতে সংবিধান সংশোধনী বিল এনেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং। কিন্তু সেই বিল লোকসভায় গৃহীত হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications