বিহারে ‘এক্স ফ্যাক্টর’ মহিলা ভোটাররাই, আদৌও কী ঘুরবে নীতীশের ভাগ্যের চাকা?
বিহারে ‘এক্স ফ্যাক্টর’ মহিলা ভোটাররাই, আদৌও কী ঘুরবে নীতীশের ভাগ্যের চাকা?
৭ নভেম্বর তৃতীয় দফার ভোট পর্ব মেটার পরেই বুথ ফেরত সমীক্ষার ফলপ্রকাশ পেতেই ক্রমেই চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এদিকে আরজেডি-কংগ্রেসের বিরোধী মহাজোটকেই এগিয়ে রাখছে প্রায় সমস্ত এক্সটি পোলই। এমতাবস্থায় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবারের বিহার বিধানসভা ভোটে এক্স ফ্যাক্টর হতে পারেন মহিলারই।

মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক গুছিয়ে কতটা সুবিধা করতে পারবে নীতীশ শিবির?
এদিকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রকাশি তথ্য দেখা যাচ্ছে এবারের বিহার ভোটে পুরষদের থেকে গোটা রাজ্যে মহিলাদের ভোটদানের হার প্রায় ৫ শতাংশ বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষদের মতে এই পরিসংখ্যানের কারণেই ফের শিকে ছিঁড়তে নীতীশ কুমারের। কারণ অতীতের রেকর্ড বলছে মহিলা ভোট ব্যাঙ্কে নীতীশ ক্যারিশমা নতুন কিছু নয়।

ভোট প্রদানে মহিলাদের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পুরুষেরা
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সদ্য প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে বিহারের তিন দফার ভোটে মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে পুরুষদের ভোটের পরিমাণ ৫৪.৬ শতাংশ। সেখানে মহিলাদের ভোটদানের পরিমাণ ৫৯.৭ শতাংশ। যদিও ২০১৫ সালের বিধানসভা নির্বাচনের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি এবারের মোট ভোটের হার। তবুও পরিসংখ্যানের বিচারে মহিলা শিবিরের ভোট গোছানোর ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে ছিল জেডিইউ।

ভেঙেছে অতীতের রেকর্ডও
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে মহিলাদের দ্বারা মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬০.৪ শতাংশ। ২০১০ সালে এই পরিমাণ ছিল ৫৪.৫ শতাংশ, সেখানে পুরুষ ভোটের সংখ্যা ছিল ৫১.১ শতাংশ। যদিও পুরুষদের তরফে মোট প্রদত্ত মোটের নিরিখে নতুন রেকর্ড গড়েছে ২০২০ সালের নির্বাচন।

৭০ শতাংশেরও বেশি মহিলা ভোট ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে
এদিকে এবারের তিন দফার নির্বাচনে বিহারে মোট ভোট পড়েছে ৫৭.০৫ শতাংশ। ২০১৫ সালে এই পরিমাণ ছিল ৫৬.৬ শতাংশ। এদিকে চমকপ্রদ ভাবে দেখা যাচ্ছে এবারের নির্বাতনে মহিলাদের ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে বড়সড় উত্থান দেখা গেছে ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রে। এই সমস্ত কেন্দ্রগুলিতেই মহিলাদের ভোচ প্রদানের হার ছিল চোখে পড়ার মত। ভোট পড়ে ৭০ শতাংশেরও বেশি। সেখানে ১৪১টি বিধানসভা কেন্দ্রে মহিলা ভোটের পরিমাণ রয়েছে ৬০ শতাংশেরও বেশি।












Click it and Unblock the Notifications