নারীর সংখ্যা বাড়ছে দেশে, শুভ ইঙ্গিত দিল স্বাস্থ্য সমীক্ষা
নারীর সংখ্যা বাড়ছে দেশে, শুভ ইঙ্গিত দিল স্বাস্থ্য সমীক্ষা
ভারতে স্বাস্থ্য সমীক্ষায় প্রকাশিত হয়েছে আশা জনক রিপোর্ট। তাতে দেখা িগয়েছে ভারতে নারীর সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে পুরুষদের তুলনায়। প্রতি হাজার জন পুরুষের মধ্য মহিলাদের সংখ্যা এখন ১০২০ জন। অর্থাৎ শিশু কন্যা হত্যার প্রবণতা কমছে ভারতে এতেই আশা দেখছে দেশবাসী। নারীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছিল ভারতে। যার জেরে দেশে জন বিস্ফোরণ ঘটার েয সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল সেটা অনেকটাই কমেছে।

জাতীয় পরিবার কল্যাণ এবং স্বাস্থ্য সমীক্ষায় প্রকাশ্যে এসেছে এই তথ্য। ১৩০ কোটির জনসংখ্যা ভারতে। কিন্তু তার মধ্যেও ভারতে নারীদের সংখ্যা কমতে শুরু করেছিল। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তার অন্যতম কারণ থিল শিশুকন্যার মৃত্যু বা শিশু কন্যার হত্যা। ভারতের একাধিক জায়গায় এখন পরিবারে কন্যা সন্তানকে অশুভ বলে মনে করা হয়। ধীরে ধীরে সেই সংস্কার কাটতে শুরু করেছে। যেসব রাজ্যে শিশুকন্যা জন্মানোকে পরিবারের বোঝা বলে মনে করা হয় সেই সব রাজ্যে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে শিশুকন্যার রক্ষার জন্য একাধিক প্রকল্প জারি করা হয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও।
পশ্চিমবঙ্গে কন্যাশ্রী প্রকল্পও বিশ্বের দরবারে বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। এই প্রকল্পে ১৮ বছর পর্যন্ত কন্যা সন্তানদের পড়াশোনার খরচ দেয় রাজ্য সরকার। তারপরে রয়েছে রূপশ্রী প্রকল্প তাতেও রাজ্য সরকার মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা এবং পড়াশোনার জন্য খরচ করা হয়। নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ প্রথম ভারতের এই নারী সংকটের অবস্থা তুলে ধরেছিলেন। ১৯৯০ সালে একটি বইয়ে তিনি লিখেছিলেন ভারতে প্রতি ১০০০ জন পুরুষের মধ্যে ৯২৭ জন মহিলা। কিন্তু ২০০৫-০৬ সালে সেই সংখ্যাটা অনেকটাই সমানে সমানে এসে দাঁড়িয়েছিল। আবার ২০১৫-১৬ সালে সেই সংখ্যাটা কমে দাঁড়িয়েছিল ১০০০-৯৯১-এ এসে দাঁড়িয়েছিল। অর্থাৎ ১০০০জন পুরুষ এবং নারীর সংখ্যা ৯৯১ জন। তার পরে ২০২১ সালে যে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য সমীক্ষা তাতে নারীর সংখ্যা পুরুষদের তুলনায় বেড়েছে। নতুন সমীক্ষায় বিশ্বের দরবারে নারীর জনসংখ্যা নিয়ে ভারতের দুর্নাম অনেকটাই ঘুচবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভারতের জনসংখ্যা কমারও ইঙ্গিত মিলেছে এই স্বাস্থ্য সমীক্ষায়। ভারতে নারীদের বেঁচে থাকার সময়সীমা পুরুষদের তুলনায় বেশি হয়। পুরুষরা যদি ৬৬ বছর পর্যন্ত বাঁচে তাহলে নারীরা ৬৯ বছর পর্যন্ত বাঁচে। গত ১৫ বছরে ভারতের জনসংখ্যা অনেকটাই কমেছে বলে জানা গিয়েছে এই সমীক্ষায়। ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষে যেখানে ভারতের সংখ্যার অনুপাত ছিল ৩৪.৯ শতাংশ। সেটা কমে েখন দাঁড়িয়েছে ২৬.৫ শতাংশে। কাজেই ভারতে জনবিস্ফোরণের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল সেটা অনেকটাই কমেছে বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications