৫০০ ও হাজার টাকার নোট বন্ধ করে কী কেরামতি করলেন মোদী? জেনে নিন
জাল টাকা নিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা একটি নথি তৈরি করেছেন। সেখানে বারেবারে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে বছরের পর বছর ধরে ভারতে জাল টাকা ছড়ানোর কাজ করে আসছে পাকিস্তান।
নয়াদিল্লি, ৮ নভেম্বর : ভারতীয় অর্থনীতিকে ভেঙে গুড়িয়ে দিতে প্রায় ১২ লক্ষ কোটি টাকার নোট ভারতীয় বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল পাকিস্তান। তা ভারতীয় বাজার ছড়িয়ে যাওয়ার আগেই কেন্দ্রের মাস্টারস্ট্রোক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঘোষণা করলেন মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকেই ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট বাজারে অকেজো হয়ে পড়বে।
পাকিস্তানে ছাপা জাল নোট এই ৩টি দেশ ঘুরে ভারতে আসে!
কীভাবে পাকিস্তানে তৈরি জাল ভারতীয় নোট বাংলাদেশ হয়ে ঢুকছে এদেশে
জাল টাকা নিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দারা একটি নথি তৈরি করেছেন। সেখানে বারেবারে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে বছরের পর বছর ধরে ভারতে জাল টাকা ছড়ানোর কাজ করে আসছে পাকিস্তান।

আর এই গোটা ঘটনার পিছনে রয়েছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। তাদের মদতেই পাকিস্তানে ৫০০ ও ১ হাজার টাকার জাল ভারতীয় নোট তৈরি হচ্ছে ও এদেশে পাচার হচ্ছে। সিবিআই তদন্তে ধরা পড়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে জড়িত চোরেরা নোট তৈরির টেমপ্লেট চুরি করে নিয়ে গিয়ে এই জাল নোটের কারবার খুলে বসেছে প্রতিবেশী দেশে।
জেনে নিন কীভাবে মালদহ দিয়ে সারা দেশে ছড়াচ্ছে জাল নোট
৫০০ ও হাজার টাকার নোট বন্ধ, এবার তাহলে কি করবেন? জেনে নিন
গত কয়েকবছর ধরে জাল নোট তৈরিতে আইএসআই এতটাই পারদর্শীতা দেখিয়েছে যে কোনটি আসল নোট ও কোনটি নকল তা অনেকসময়ই পার্থক্য করা যাচ্ছে না। শুধু টেমপ্লেট চুরিই নয়, যেখান থেকে ভারত সরকার নোটের কাগজ সরবরাহ করে সেই একই ধরনের কাগজও আইএসআই ব্যবহার করে চলেছে।
আগে জাল নোটের কাগজ পাকিস্তানেই তৈরি হতো। পরে তা বিদেশ থেকে আনানো শুরু হয়। আর তা ঠিক একই ধরনের যা ভারতীয় নোট তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে পাকিস্তান সরকারকে বুঝিয়ে রাজি করিয়ে গোটা ঘটনাই নেতৃত্ব দিয়ে করাচ্ছে আইএসআই।
গোটা ঘটনা পাকিস্তান সরকার জানে কারণ সেদেশের কোয়েট্টা, লাহোর ও পেশোয়ারের সরকারি নোট তৈরির ছাপাখানা তা ছাপা হচ্ছে।
নোট ছাপা হয়ে গেলেই তা নেপাল ও বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এমনকী শ্রীলঙ্কা দিয়ে ঘুরিয়ে ভারতে পাচার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারতের কিছু নাগরিক এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে এবং বদলে তারা মোটা টাকা পারিশ্রমিক পাচ্ছে। এক্ষেত্রে ভারতীয় এজেন্টরা একটি ভালো নোটের বদলে ২টি জাল নোট পাচ্ছে। অর্থাত নোটের অনুপাত ২ : ১।
তদন্তকারীরা দেখেছেন, বর্তমানের জাল নোটগুলিতে ওয়াটার মার্ক, অশোক স্তম্ভের চিত্র, মহাত্মা গান্ধীর ছবি সহ সমস্তকিছুকেই নিঁখুত করা হয়েছে। অর্থাত খোলা চোখে তো বটেই, আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি দিয়ে স্ক্যান করলেও সহজে জাল নোটকে চিহ্নিত করা যাচ্ছে না। আর এসবকেই বন্ধ করতে কেন্দ্র ৫০০ ও হাজার টাকার নোট বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications