ব্যক্তিগত শৌচাগার, বাড়ির বিছানায় তিহার জেলে কেজরিওয়ালের 'হলিডে ট্রিপ'

ছুটি নয়তো আর কী? ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আলাদা 'কারা-রুম'-এ সঙ্গে 'অ্যাটাচড বাথ', শোয়ার জন্য বাড়ি থেকে আনানো বিছানা, সবই তো রয়েছে কেজরিবাবুর ২দিনের জেলভ্রমণে। নামেই রয়েছেন ২ দিনের জন্য কারাগারে। আসলে সামনেই দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন, অথচ মিডিয়ার ২৪ ঘন্টার নজরদারিতে বিধানসভার পরিকল্পনার ছকটা ঠিক সাজাতে পারছিলেন না হয়তো 'আম-বাবু'। তাই মিডিয়ার নজর এড়িয়ে ২দিন একটু নিরিবিলি অন্তরাল চাইছিলেন। তিহার জেলের 'মেডিটেশন কারাগার'-এর চেয়ে নিরিবিলি স্থান আর কীই বা হতে পারে। তাই কোটিপতি কেজরিবাবু জামিনের ১০,০০০ টাকা না দিয়ে বরং 'তিহার ট্রিপ'-এ যাওয়াটাই বেছে নিলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অনুরোধ জানিয়েও লাভ হয়নি, অবশেষে জেলে পা পড়ল কেজরিওয়ালের
তিহার জেলের এক আধিকারিকের কথায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মেডিক্যাল পরীক্ষা হওয়ার পর তাঁকে জেলের 'মেডিটেশন সেল'-এ রাখা হয়েছে। এই ১৬ বাই ১০ ফুটের সেলটির বিশেষত্ব হচ্ছে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য একটি 'অ্যাটাচ্ড বাথ' রয়েছে এই সেলে। ওই আধিকারিকের কথায়, আপ সুপ্রিমোর ডায়েবেটিস রয়েছে। ফলে ঘন ঘন শৌচাগারে যেতে হয়। তাঁর স্বাস্থ্যের কারণেই এই বিশেষ ব্যবস্থা। এই সেলটি বাকি কারাগার গুলি থেকে বিচ্ছিন্ন।
এছাড়াও তাঁর বাড়ি থেকে আনা বিছানা ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে কেজরিওয়ালকে। জেল কর্তৃপক্ষের কথায় এই অনুমতিও আপ নেতার শরীরের কথা মাথায় রেখেই দেওয়া হয়েছে।
জেল কর্তৃপক্ষের কথায় এর আগেও ২০১১ সালে আন্না হাজারের আন্দোলনের সময় আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল জেলে রাত কাটিয়েছিলেন। কিন্তু সেবার সুপারিন্টেন্ডেন্টের ঘরে কিরণ বেদী, মণীশ সিসোডিয়া এবং আন্না হাজারের সঙ্গে ছিলেন।
এদিকে কেজরিওয়ালের গ্রেফতার নিয়ে সবর হয়েছেন রাখি বিড়লা, যোগেন্দ্র যাদব, সঞ্জয় সিংয়ের মতো আপ নেতারা। এই বিষয়ে জনমত তৈরি করার জন্য সোস্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেছে আপ নেতৃত্ব। এবং জেলের বাইরে আন্দেলনে বসার জন্য সাধারণ মানুষকেও আহ্বান জানানো হচ্ছে দলের তরফে। যদিও জেলের সীমানার আশে পাশে তাঁদের ঘেঁষতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ।












Click it and Unblock the Notifications