UP Politics: ভারত জোড়ো যাত্রাকে সামনে রেখে যোগী রাজ্যে মেরু বদল! ২০২৪-এর আগে বদলে যেতে পারে সমীকরণ

কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি অনেক আগে থেকেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। কংগ্রেসের তরফে ভারত জোড়ো যাত্রা চলছে। সেই ভারত জোড়ো যাত্রাকে সামনে রেখেই নতুন রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা সামনে আসতে শুরু

কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি অনেক আগে থেকেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। কংগ্রেসের তরফে ভারত জোড়ো যাত্রা চলছে। সেই ভারত জোড়ো যাত্রাকে সামনে রেখেই নতুন রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনা সামনে আসতে শুরু করেছে। বিএসপির জৌনপুরের সাংসদ শ্যাম সিং যাদবের ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দেওয়া নিয়ে জোট জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে, বিশেষ করে উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যে।

ভারত জোড়ো যাত্রায় বিএসপি সাংসদ

ভারত জোড়ো যাত্রায় বিএসপি সাংসদ

কন্যাকুমারী থেকে ভারত জোড়ো যাত্রা শুরু করেছিলেন রাহুল গান্ধী। গত ১৬ ডিসেম্বর ত ১০০ দিন পার করে, বর্তমানে তা দিল্লিতে রয়েছে। ভারত জোড়ো যাত্রায় বিখ্যাত ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেছেন। সেখানে অংশ নিয়েছেন রঘুরাম রাজন, কমল হাসান, সুধীন্দ্র কুলকার্নির মতো ব্যক্তিরা। আবার একটা সময় কংগ্রেসের সঙ্গে ভাল-খারাপ সম্পর্ক রাখা বিএসপির সাংসদও হেঁটেছেন ভারত জোড়ো যাত্রায়। শনিবার দিল্লিতে ভারত জোড়ো যাত্রার প্রবেশের সময় সেখানে রাহুল গান্ধীর পাশে দেখা গিয়েছে জৌনপুরের বিএসপি সাংসদ শ্যাম সিংকে।

ব্যক্তিগত অংশগ্রহণ

ব্যক্তিগত অংশগ্রহণ

ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দেওয়ার পরে শ্যাম সিং যাদব বলেছিলেন, তিনি রাহুল গান্ধীর আমন্ত্রণে ব্যক্তিগত স্তরে এই যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন। কেনান এই যাত্রার উদ্দেশ্য মহৎ। তিনি আরও বলেছেন, তিনি বহুজন সমাজ পার্টির সাংসদ হলেও , দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নিয়েছেন।

২০২৪-এর আগে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন

২০২৪-এর আগে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএসপি সাংসদদের ভারত জোড়ো যাত্রায় যোগ দেওয়াটা ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে উত্তর প্রদেশের ক্ষেত্রে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন। কেননা সাংসদ শ্যাম সিং যাদব ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশে বিএসপি এবং কংগ্রেস জোটের পক্ষে সওয়াল করেছেন। তবে এখনও দলের সুপ্রিমো মায়াবতী এব্যাপারে কোনও মন্তব্য করেননি। উল্লেখ করা প্রয়োজন, এর আগে মায়াবতী বিজেপি ও কংগ্রেস উভয়কেই আক্রমণ করেছিলেন।

২০০৯-এর পুনরাবৃত্তি?

২০০৯-এর পুনরাবৃত্তি?

গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল বিএসপির অবস্থান পরিবর্তনের বড় কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেশকরা। ২০০৭ সালে মায়াবতী উত্তর প্রদেশে 'বহুজন থেকে সর্বজন' যাত্রা করেছিলেন। তারপরেই তিনি রাজ্যে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছিলেন। সেই সময় বিএসপির সঙ্গে থাকা দলিত-ওবিসি-মুসলিম ভোটের সঙ্গে চলে এসেছিল ব্রাহ্মণ ভোটও। তবে সরকার গঠনের পরে ব্রাহ্মণদের অবহেলার অভিযোগ ওঠে। আর ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিএসপিকে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। তবে ২০০৯-এ প্রায় দু-দশক পরে কংগ্রেস উত্তর প্রদেশের রাজনীতিতে বেশ কিছু আসন পায়। যা কেন্দ্রে মনমোহন সিং সরকারের ফেরার পথ প্রশস্ত করেছিল। সেই বছরে সমাজবাদী পার্টি কংগ্রেসকে ১৩ টি আসন দিতে চেয়েছিল। তারপরে কংগ্রেস সেখানে একাই লড়াই করে ২১ টি আসনে জয় পায়। সমাজবাদী পার্টি পায় ২৩ টি আসন এবং বিজেপি পায় ১০ টি আসন। আর মায়াবতীর বিএসপি ২০ টি আসন জিতে তৃতীয় স্থান পেয়েছিল।
ভোটের শতাংশের নিরিখে কংগ্রেস পেয়েছিল ১৮.২ শতাংশ ভোট। ২০০৭ সালে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস যেখানে উত্তর প্রদেশে ব্রাহ্মণ ভোট ব্যাঙ্কের ১৯ শতাংশ পেয়েছিল, সেখানে ২ বছর পরে ব্রাহ্মণ ভোটের ৩১ শতাংশ পায়।

উত্তর প্রদেশে সব হারিয়েছে বিএসপি-কংগ্রেস

উত্তর প্রদেশে সব হারিয়েছে বিএসপি-কংগ্রেস

২০২২-এর বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর প্রদেশে বিএসপি ও কংগ্রেস কার্যত সব হারিয়েছে। রাজ্যে চারবার সরকার তৈরি করা বিএসপি ভোট পেয়েছিল ১২.৮৮ শতাংশ। জিতেছিল মাত্র ১ টি আসন। অন্যদিকে কংগ্রেস মাত্র ২.৪ শতাংশ ভোট পেয়ে ২ টি আসন দখল করে।

জোটে শক্তিশালী হতে পারে উভয়েই

জোটে শক্তিশালী হতে পারে উভয়েই

একদিকে কংগ্রেস যেমন ভোটব্যাঙ্কে বৃদ্ধির চেষ্টা চালাচ্ছে ঠিক তেমনই চেষ্টা চালাচ্ছে মায়াবতীর বিএসপিও। আবারও তারা দলিত, ওবিসি, মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক ফেরানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেসের সঙ্গে কিছুটা হলেও উচ্চবর্ণের ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে দুদলের জোট হলে একে অপরকে ভোট হস্তান্তর করতে পারবে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+