বছরে ১০ কোটি স্পুটনিক-ভি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা, ভারতের করোনা যুদ্ধে কতটা আশা দেখাচ্ছে রাশিয়ার টিকা?
বছরে ১০ কোটি স্পুটনিক-ভি তৈরির লক্ষ্যমাত্রা, ভারতের করোনা যুদ্ধে কতটা আশা দেখাচ্ছে রাশিয়ার টিকা?
ভারতের করোনা যুদ্ধে ইতিমধ্যেই কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের সঙ্গেই কোমড় বেঁধে মাঠে নেমেছে রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিন স্পুটনিক-ভি। ইতিমধ্যেই স্পুটনিক-ভি'র ১.৫ লাখ এবং ৬০,০০০ ডোজ ভারতে পাঠানো হয়েছে। মে মাসের শেষের মধ্যে একলপ্তে ৩০ লাখ ডোজ পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। জুনের মধ্যে পাঠানো হবে ৫০ লক্ষ ডোজ। এদিকে আগামীতে বছরে এই টিকার ১০ কোটি ডোজ তৈরির লক্ষ্যমাত্র নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

১০ কোটি ডোজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ভারতে রাশিয়ার এই টিকা তৈরির বরাত পেয়েছে রেড্ডিজ ল্যাবরেটরি। আগামী অগাস্ট থেকেই পুরোদমে গোটা প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও ভারতে স্পুটনিকের পদার্পনে বিশেষ ভাবে সাহায্য করেছে রাশিয়ান প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ তহবিল এবং ওষুধ সংস্থা পানাসিয়া বায়োটেক। তাদের উদ্যেগেই ভারতে স্পুটনিক-ভি উৎপাদন শুরু হতে চলেছে। ভারতের পানেসিয়া বায়োটেক এখন প্রতি বছর স্পুটনিক-ভি এর ১০ কোটি ডোজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

১৪ তারিখেই শুরু প্রথম টিকাকরণ
তবে এই ভারতে তৈরি এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভ্যাক্স ফেসিলিটির হাত ধরে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে যাবে কিনা সেই বিষয়ে এখনও খোলসা করে কিছু জানানো হয়নি। এদিকে এপ্রিলের ১২ তারিখ প্রথম রাশিয়ার এই করোনা ভ্যাকসিনকে জরুরি ভিত্তিতে টিকাকরণের ছাড়পত্র দেয় কেন্দ্র। মে মাসের ১৪ তারিখেই প্রথম শুরু হয় টিকাকরণ। বর্তমানে বিশ্বের ৬৬টি দেশে এই রাশিয়ার ভ্যাকসিনের টিকাকরণ চলছে বলে জানা যাচ্ছে।

৯৭.৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকরী স্পুটনিক-ভি
এদিকে গবেষকদের দাবি করোনা রুখতে ৯৭.৬ শতাংশ পর্যন্ত কার্যকরী স্পুটনিক-ভি। এমনকী কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের থেকেও এর কার্যক্ষমতা অনেকটাই বেশি বলে মনে করা হয়। গত বছরের ডিসেম্বরের ৫ তারিখ থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ অবধি প্রাপ্ত পরিসংখ্যানের বিশ্লেষণে এই চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে বলে জানা যাচ্ছে। আমাগীতে ভারতের করোনা রোধে এই টিকা কতটা কার্যকরী ভূমিকা নেয় এখন সেটাই দেখার।

তিন দফায় আসবে টিকা
এদিকে ভারতের হাতে তিন দফায় এই টিকা আসবে বলে জানা যাচ্ছে। প্রথমে রাশিয়া থেকে পুরোপুরি তৈরি টিকা পাঠানো হবে। যে কাজ ইতিমধ্যেই চলছে। দ্বিতীয় দফায় একলপ্তে অনেক টিকা পাঠাবে আরডিআইএফ বা রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড। পরবর্তী ভারতের মাটিতেই টিকা তৈরির জন্য ভারপ্রাপ্ত সংস্থাগুলিকে টিকা তৈরির প্রযুক্তি দেবে রাশিয়া, কথা রয়েছে এমনটাই।












Click it and Unblock the Notifications