চার রাজ্যে জয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও বিজেপিকে খোলা হাতে খেলার সুযোগ দেবে
চার রাজ্যে জয় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও বিজেপিকে খোলা হাতে খেলার সুযোগ দেবে
জুলাইয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ অবসর নিচ্ছেন৷ তার আগেই চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় বিজেপিকে দেশের আগামী রাষ্ট্রপতি বেছে নিতে সাহায্য করবে৷ উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন বিজেপির বড় জয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দের উত্তরাধিকারী সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য অনেকটাই শক্তি জোগাবে৷ ২৪শে জুলাই, ২০২২-এ কোবিন্দ তাঁর মেয়াদ শেষ করবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে হয়ে থাকে৷ যেখানে, লোকসভা, রাজ্যসভা এবং রাজ্য বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য এবং দিল্লি ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির নির্বাচিত সদস্যরা রয়েছেন। বিধান পরিষদ এবং রাজ্যসভার মনোনীত সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না৷ তবে সাদারণ ভোটের চেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনেকটাই আলাদা। এখানে প্রত্যেকটি ভোটের মূল্য সমান নয়। জনসংখ্যার অনুপাত হিসেবে ইলেক্টোরাল কলেজে ভোটের মূল্য সবচেয়ে বেশি উত্তরপ্রদেশের এমপি এমএলএ দের।
প্রসঙ্গত বর্তমানে রাজ্যসভায় বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-র সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। তবে স্পষ্টতই সর্বশেষ চার রাজ্যে জয়ের ফলে বিজেপির অবস্থান আগের থেকে শক্তিশালী হয়েছে৷ যার ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে স্বস্তি পাবে বিজেপি৷ প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের শেষ নাগাদ, বিজেপি রাজ্যসভার ২৪৩টি আসনের ১০০টিতে নিজেদের সদস্য বসাতে সক্ষম হবে৷ তখন রাজ্যসভায় বিজেপির সর্বোচ্চ উচ্চকক্ষে ১০৪ জন সদস্য থাকবে। বর্তমানে রাজ্য সভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১০৪। এই বছর অসম, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে কংগ্রেসের থেকে চারটি রাজ্যসভা আসনছিনিয়ে নেবে৷ সেই অনুযায়ী রাজ্যসভায় এনডিএ-র শক্তিও ১২০ছাড়িয়ে যাবে।
অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের ফলাফল যদি সমাজবাদী পার্টির পক্ষে যেত তাহলে বিজেপিকে বিজু জনতা দল (বিজেডি), তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (টিআরএস), ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (ওয়াইএসআরসিপি) এর মতো স্থানীয় দলগুলির সমর্থনের উপর নির্ভর করতে হত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে৷ এই স্থানীয় দলগুলি একসঙ্গে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে।












Click it and Unblock the Notifications