মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকবেন ২০২৫ পর্যন্তই! কাকে নিয়ে এতবড় ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রশান্ত কিশোর
বিহারে জন সুরাজ যাত্রায় ব্যস্ত প্রশান্ত কিশোর। সেপ্টেম্বরের মধ্যে যাত্রা শেষ করতে হবে। কারণ ২ অক্টোবর নিজের দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ। বিহারের রাজনীতিতে নামার জন্য নিজের প্রস্তুতি অনেকটাই সেরে ফেলেছেন তিনি। প্রশান্ত কিশোর ইঙ্গিত করেছেন, বিহারের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে ২৪৩ টি আসনের সবকটিতেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদে রয়েছেন, নীতীশ কুমার এবং তাঁকে সমর্থন করছে বিজেপি। সেই কারণে প্রশান্ত কিশোর যেমন নীতীশ কুমারকে আক্রমণ করছেন, ছাড় দিচ্ছেন না বিজেপিকেও। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদীর তৃতীয়বার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নীতীশ কুমার। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতে যান। এব্যাপারে কটাক্ষ করে প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, নিজের জায়গাা নিশ্চিত করতেই এটা করেছেন নীতীশ কুমার।

- নীতীশ কুমারকে আক্রমণ
প্রশান্ত কিশোর নীতীশ কুমারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বলেছেন, নীতীশ কুমার প্রধানমন্ত্রী মোদীর পা ছুঁয়ে বিহারবাসীকে লজ্জা দিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যের সুবিধা নিশ্চিত করতে নীতীশ কুমার তাঁর প্রভাব খাটাচ্ছেন না।
- বিজেপির নিরুপায়
এরই মধ্যে প্রশান্ত কিশোর নীতীশ কুমারকে বড় আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ২০২৫-এর বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পরে নীতীশ কুমারের কোনও মূল্য থাকবে না। তিনি আরও বলেছেন, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে অনেকই আগেই তারা নীতদীশ কুমারকে চেয়ার থেকে সরিয়ে দিত।
- ২০২৫-এর পরে আর মুখ্যমন্ত্রী নয়
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, নীতীশ কুমার এমন একটা পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার বসে রয়েছেন, যে ২০২৫-এর পরে তিনি আর সেই পদে থাকতে পারবেন না। জনগণ তাঁকে এমনভাবে সরিয়ে দেবে, তিনি কথাই বলতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, জন সুরাজ যাত্রায় প্রশান্ত কিশোর জনগণের জমায়েতে প্রশ্ন করেন, তাঁরা কি নীতীশ কুমারকে সিংহাসন থেকে সরিয়ে দেবেন, তখন জনগণ সমবেতভাবে বলেন, সরিয়ে দেবেন।
প্রশান্ত কিশোর নীতীশ কুমারের মুখ্যমন্ত্রিত্ব নিয়ে এমন ভবিষ্যদ্বাণী করলেও তিনি আগেই জানিয়েছেন, এরপর থেকে তিনি কোনও নির্বাচন নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করবেন না। কারণ এবারের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী পুরোপুরি জলে গিয়েছে। তিনি বলেছিলেন, বিজেপি গতবারের আসন ধরে রাখবে। যদিও গেরুয়া শিবির ২৪০-এ গিয়েই থেমে যায়।
বিহারের বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ দলের একাই বিধানসভায় লড়াইয়ের মত প্রকাশ করেছেন। যদিও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বার আস্থা আপাতত নীতীশ কুমারেই। সেই ক্ষেত্রে আগামী কয়েকটি মাস বিহারের রাজনীতির পক্ষে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।












Click it and Unblock the Notifications