উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার কেন, কমিশনকে তোপ কংগ্রেস নেতার
উত্তরপ্রদেশ ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার কেন, কমিশনকে তোপ কংগ্রেস নেতার
২০১৭ সালে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের একদিন আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী একটি সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন৷ ওই সময় বিষয়টি নিয়ে প্রচুর জলঘোলা হয়েছিল৷ বিজেপি নেতারা প্রশ্ন তুলে বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন৷ বুধবার উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের একদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এএনআইকে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন৷ এবার এ নিয়ে মাঠে নামল কংগ্রেস৷ তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতা মনিকাম ঠাকুর নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে প্রশ্ন তুললেন যে উত্তরপ্রদেশে প্রথম দফা নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে কীভাবে সাক্ষাৎকার দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে প্রধানমন্ত্রী মোদি ভোট হতে চলা রাজ্যগুলি, যেমন,উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব, উত্তরাখণ্ড, গোয়া এবং মণিপুরে বিজেপি সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে এদিন তিনি বংশগত রাজনীতি ও দুর্নীতির কথা তুলে বিরোধী দলগুলোর সমালোচনা করেন। এই সাক্ষৎকারের বিষয়টি নিয়ে ঠাকুর প্রশ্ন তুলেছেন যে এখন নির্বাচন কমিশন প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতকার নিয়ে নীরব কেন? পাশাপাশি তিনিই উদাহরণ দিয়েছেন যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ২০১৭ সালে গুজরাটে ভোটের এক দিন আগে একটি টিভি সাক্ষাতকারে উপস্থিত হওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে নোটিশ জারী করে এরকম ঘটনার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছিল৷ তাহলে একই কারণে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কেন কৈফিয়ত চাইছে না নির্বাচন কমিশন, সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মনিকাম ঠাকুর।
তেলেঙ্গানার কংগ্রেস নেতার আরও বক্তব্য
নির্বাচনের মডেল কোড লঙ্ঘন করে মোদী সাহেব ইউপিতে ভোটের একদিন আগে সাক্ষাতকার দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন কি তাকে নোটিশ পাঠাবে? মনিকাম ঠাকুর একটি টুইটে নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্ন তুলেছেন৷ প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে সাল রাহুলের সাক্ষাতকারের পরে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। সাক্ষাতকারটি সম্প্রচারিত হওয়ার পরে রাহুলের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের পাঠানো নোটিশে লেখা ছিল গুজরাটের দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনের আগে টিভিতে এই জাতীয় প্রদর্শন জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ এর ১২৬(৩) ধারার অধীনে 'নির্বাচন বিষয়'-এর এর মধ্যে পড়ে। এবং ভোটের সমাপ্তির জন্য নির্ধারিত সময়ের সাথে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এইজাতীয় সাক্ষাৎকারের বিষয় জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১ এর ১২৬(১) (বি) ধারায় থাকা নিষেধাজ্ঞাকে লঙ্ঘন করে৷ পরে অবশ্য নিড়বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নোটিশটি প্রত্যাহার করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications