Adani Group: ভুলেও উচিত নয় গৌতম আদানির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা! দেওয়া উচিত ছাড়, কী বলছেন বিশ্লেষকরা
Adani Group: আদানিদের ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঘুষ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সম্প্রতি। মার্কিন আইনসভা এই সংক্রান্ত মারাত্মক অভিযোগ সামনে এনেছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে চরম বিতর্ক। আর সেই ঘটনা নজর কেড়েছে ভারত ও আমেরিকার দুই দেশের ব্যবসায়ীদের। তবে আদানিদের বিরুদ্ধে কখন অভিযোগ টা আনা হল, সেই সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলল ৬ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য।
লান্স গুডেন, প্যাট ফ্যালন, মাইক হরিদপলস, ব্রাডোন গিল, ব্র্যান্ডন গিল, উইলিয়াম আর টিমোন্স ও ব্রিয়ান বাবিন এই প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আমেরিকার আয়াতর্নি জেনারেল পামেলা বন্ডি কে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভারতের সঙ্গে কতটা প্রভাব ফেলেছে এই ঘটনা।

শেষ বার আমেরিকার বাইডেন সরকাররের আমলে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত বলে দাবি করা হয়েছিল। সম্প্রতি ডিজেও একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে, আমেরিকার উচ্চপদস্থ কর্তাদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হবে। ঠিক যেমন নিউ ইয়র্কের মেয়রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনেক প্রমাণ থাকলেও সেই মামলা খারিজ করে দেওয়া হয়।
কেন বেছে বেছে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠেছে, দেশের মধ্যেও যখন এমন অনেক অভিযোগ আছে, তখন কেন একজন বিদেশি শিল্পপতির বিরুদ্ধে এভাবে স্ক্রুটিনি করা হবে?
Adani Group: দুর্নীতি বিরোধী আইন নিয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুর্নীতি বিরোধী আইন (Foreign Corrupt Practices Act (FCPA) বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে একটা বাস্তববাদী সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে আমেরিকায় আন্তজাতিক বাণিজ্যে ভালো প্রভাব পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ট্রাম্প এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা মনে করেছেন।
মার্কিন প্রসিডেন্ট দাবি করছেন, নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এই আইন তৈরি হলেও ধীরে দিরে একটা বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছিল। কোনও কোনও সময় অতিরিক্ত তদন্ত এবং অভিযোগ তুললে আমেরিকার ব্যবসার উপরে কু প্রভাব পড়ছিল। বিশ্বের বাজারে আমেরিকার বাণিজ্য। এই অবস্থায় আইনকে সহজ করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু এরপরেও ভারতীয় সংস্থাকে কেন এমন নিয়মের গেঁড়োয় বাঁধা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
Adani Group: ভারত আমেরিকা সম্পর্কে প্রভাব
বিশ্লেষকরা বলছেন, আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমেরিকা যদি কোনও ব্যবস্থা নেয় তাহলে দুই দেশ অর্থাৎ আমেরিকা এবং ভারতের সম্পর্কে প্রভাব পড়বে। বর্তমানে চিনের প্রভাব ঠেকাতে আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী এখন ভারতই। এই অবস্থায় ভারতের একজন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগপতির বিরুদ্ধে আঙুল তোলা আমেরিকার নীতির বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রশ্ন উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে আমেরিকার বুকেই। মার্কিন আইন প্রণেতারা বলছেন, এভাবে ব্যবস্থা নেওয়া আদৌতে ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীর সঙ্গে সম্পর্কে লোকসান করা।
Adani Group: গুরুত্বপূর্ণ একটা নাম
গত কয়েক বছরে আদানি নিজেকে একটা জায়গায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশেষ করে শক্তি এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে নজর কেড়েছেন ভারতীয় এই উদ্যোগপতি। ভারতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে লাগাতার চেষ্টা চালাচ্ছে। শুধু তাই নয়, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বিশ্বজুড়ে যে প্রচেষ্টা চলছে সেখানেও উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে আদানি গোষ্ঠীর বড় অবদান। যে ধরনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সংস্থার যে ট্র্যাক রেকর্ডের পরিপন্থী নয় বলেই দাবি করা হচ্ছে। স্বচ্ছতার সঙ্গেই সংস্থা ব্যবসা করে থাকে।
বিশ্লেষকরা বলছেন আমেরিকার সময় এসেছে নিজেদের বেশ কিছু ক্ষেত্রের পুনর্মূল্যায়ন করার। শুধু তাই নয়, ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিৎ বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications