হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অনুপস্থিতি ঘিরে শুরু রাজনৈতিক তরজা
হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অনুপস্থিতি ঘিরে শুরু রাজনৈতিক তরজা
গতকালই শেষে হয়েছে এই বছরের মহারাষ্ট্র, হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই একাধিক বুথ ফেরত সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে হরিয়ানায় বিজেপির বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে আনতে ভালোই বেগ পেতে হবে কংগ্রেসকে। আর এই পটভূমিকায় দাঁড়িয়েই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর দলীয় প্রচারে না থাকাকে ঘিরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক তরজা।

ইতিমধ্যেই লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র সহ প্রায় ১৭টি রাজ্যের ৫১টি উপনির্বাচন ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সাংগঠনিক ভীত শক্ত করতে ও কর্মীদের মনোবল বাড়াতে তৃণমূল স্তরে একাধিক কর্মসূচীর কথা ঘোষণা করেছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে নতুন দায়িত্ব পেলেও কেন প্রিয়াঙ্কাকে কোনও রাজনৈতিক প্রচার ও জনসভায় দেখা গেল না তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় এক নেতা বলেন, ' উত্তরপ্রদেশে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সেখানে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। সেই কারণেই প্রধানত তাকে এই বারের বিধানসভা নির্বাচনে দেখা যায়নি। ’
এদিকে ইতিমধ্যেই লোকসভা ভোটের কিছুদিন আগেই কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। এই পর লোকসভা ভোটের প্রাক নির্বাচনী জনসভার জন্য ছুটে বেড়িয়েছেন কখনও উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট তো কখনও পাঞ্জাব, আসামেও। কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থীর হয়ে প্রচার করেছেন হরিয়ানাতেও। এমনকি তার ভাই তথা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর সমর্থনে প্রচারে কেরালাও গেছেন সোনিয়া কন্যা।
এদিকে ২০১৯ লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত উত্তরপ্রদেশের আমেঠীতে প্রায় ৫০ হাজারের বেশি ভোটে বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে যান কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। শুধুমাত্র রায়বেরেলীতে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরে কোনও রকমে মুখরক্ষা হয় কংগ্রেস হাই কম্যান্ডের।
তাই বর্তমানে অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশেও ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে কংগ্রেস। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের পুনর্নির্মাণ ও সাংগঠনিক শক্তি পুনরুদ্ধারে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী কতটা সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন এখন সেই দিকেই তাকিয়ে দেশের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহল।












Click it and Unblock the Notifications