Narendra Modi: কেন হঠাৎ কন্যাকুমারীকেই ধ্যানের জন্য বেছে নিলেন মোদী?
স্বামী বিবেকানন্দের যেস্থানে পরমজ্ঞান লাভ করেছিলেন সেখানেই আজ থেকে ধ্যানমগ্ন হবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তা তিনি ধ্যানে বসতেই পারেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বিবেকানন্দ রক কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। কেদারনাথ-বারাণসী ছেড়ে হঠাৎ কেন বিবেকান্দ রক।
আরব সাগর-বঙ্গোপসাগর-ভারত মহাসাগরের সঙ্গমস্থলে রয়েছে এই বিবেকানন্দ রক। ১৮৯২ সালে স্বামী বিবেকানন্দ এই পাথরে বসেই তিনদিন ধরে ধ্যান করেছিলেন। সেখানেই এবার ৪৫ ঘণ্টা ধ্যানমগ্ন হয়ে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ইতিমধ্যেই সেখানে ভগবতী আম্মামের মন্দিরে পুজো দিয়েছেন তিনি।

মোদী ধ্যান করবেন তাই তিনদিন সেখানে যেতে পারবেন না পর্যটকরা এমনকী কন্যাকুমারীর সমুদ্র তীরবর্তী হোটেলগুলিতেও তাকতে পারবেন না পর্যটকরা। গোটা কন্যাকুমারী এবং বিবেকানন্দ রক নিরাপত্তা বলয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। উপকূল রক্ষী বাহিনীও নজরদারি চালাবে।
তিন সাগরের সঙ্গমে প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই ধ্যানে বসাকে পাবলিসিটি স্টান্ট বলেই মনে করছেন বিরোধীরা। যদিও এই প্রথম নয় এর আগে ২০১৯-র লোকসভা ভোটের সময় কেদারনাথে গিয়ে গুহায় একান্তবাসে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ১৫ ঘণ্টা গুহায় ধ্যানমগ্ন ছিলেন তিনি। সেটাকেও পাবলিসিটি স্টান্ট বলেইউ অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা।
অন্যদিকে বিবেকান্দ রকে যে পাথরের উপর তৈরি তাতে আধ্যাত্মিক জ্ঞান প্রাপ্তির একটা কেন্দ্র বলে মনে করেন অনেকে। এমন জায়গায় এই পাথরটির অবস্থান যে এখানকার সঙ্গে কসমিক এনার্জি কাজ করে বলে বিশ্বাস করেন অনেকেই। কন্যাকুমারীর মূল ভূখণ্ড থেকে ৫০০ মিটার দূরে এই বিবেকানন্দ রকের অবস্থান।
সূত্রের খবর বিবেকান্দ রকের স্বামী বিবেকান্দের মেমোরিয়াল তৈরির নেপথ্যে আরএসএসের যোগদান ছিল। ১৯৬৩ সালে নাকি স্বামী বিবেকান্দের জন্ম শতবর্ষের দিনে আরএসএস কর্মী একনাথ রাণের উদ্যোগে স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতি মন্দিরটি নতুন করে সুসজ্জিত হয়ে উঠেছিল। ১৯৭০ সালে সেটির উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ভিভি গিরি। এই আর এসএস যোগের কারণেও এই জায়গাটিকে ধ্যানের জন্য বেছে নিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
আবার অনেকের মতে স্বামী বিবেকানন্দকে অনুসরণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একাধিক সময়ে নিজের বক্তব্যে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে চলার কথা বলেছিলেন তিনি। রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে তিনি ভীষণ ভাবে জড়িত। যতবার তিনি কলকাতায় এসেছেন ততবার রামকৃষ্ণমিশনে এবং বেলুড় মঠে গিয়েছেন।
আবার অনেকে মনে করছেন দক্ষিণ ভারতে তেমন ভাল ফল করেনি বিজেপি। কর্নাটকও হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির। সেকারণেই দক্ষিণ ভারতের মানুষেরক মন জয়ে কন্যাকুমারীতে ধ্যানে বসার সিদ্ধান্ত। আবার বাংলার মানুষের মন জয়ের কৌশলও এতে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications