জেনে নিন ২৬ নভেম্বর কেন দেশজুড়ে সংবিধান দিবস পালন করা হয়
জেনে নিন ২৬ নভেম্বর কেন দেশজুড়ে সংবিধান দিবস পালন করা হয়
প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও গোটা দেশ জুড়ে উদযাপন হচ্ছে সংবিধান দিবস। ২৬ নভেম্বর ভারতের সংবিধান গ্রহণের দিনটিকে স্মরণে রেখেই এই দিনটি পালন করেন দেশবাসী। ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর কেন্দ্র সরকার সরকারি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২৬ নভেম্বর দিনটিকে সংবিধান দিবস হিসাবে ঘোষণা করেন।

কেন ২৬ নভেম্বরকে সংবিধান দিবস পালন করা হয়
২০১৫ সাল থেকে বি আর আম্বেদকরের ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই সংবিধান দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র সরকার। কারণ বি আর আম্বেদকরই হলেন সংবিধানের মুখ্য স্থাপক। তাই সরকার এই দিনটিকে বড় করে উদযাপন করতে চায়। আগে এই দিনটি জাতীয় আইন দিবস হিসাবে পালন করা হতো।

কিভাবে এই দিনটি পালন করল সরকার
মঙ্গলবার কেন্দ্র সরকার সংবিধান দিবস উপলক্ষ্যে সংসদের সেন্ট্রাল হলে গণপরিষদের মাধ্যমে সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭০তম বার্ষিকী উদযাপন করে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, উপ-রাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাংসদরাও। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে দেশের সব স্কুলকে এই দিনটির মাহাত্ম বোঝানোর জন্য তা পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও সব দেশের দূতাবাসকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব জাতির জন্য স্থানীয় ভাষায় সংবিধানকে অনুবাদ করা হোক।

প্রথমবার কখন দেশের সংবিধান সংশোধন করা হয়?
১৯৫১ সালে সংবিধানের প্রথম সংশোধন করা হয়। সেটা ছিল মৌলিক অধিকারের প্রয়োগকে সীমাবদ্ধ রেখে যে কোনও সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণি বা তফসিলি বর্ণ ও উপজাতি সম্প্রদায়ের বিভাগগুলির অগ্রগতির জন্য স্বীকৃত পদক্ষেপ গ্রহণে রাজ্যকে ক্ষমতায়িত করা। সম্প্রতি ২০১৯ সালে শেষ ১০৩তম সংশোধন করা হয় সংবিধানে। যেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ও নিয়োগের ক্ষেত্রে আর্থিক দিক দিয়ে দুর্বলদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ রাখা হয়। রাজ্যসভার উচ্চ কক্ষের সচিব জানান, ১৯৫১ সালে অস্থায়ী সংসদ দ্পবারা প্রথমবার সংবিধান সংশোধন করা হয়। তখন রাজ্যসভার অস্তিত্ব ছিল না। এখনও পর্যন্ত সংবিধানটি ১০৩বার সংশোধন করা হয়েছে।
সংবিধানে উল্লেখ রয়েছে, ১০৩টি সংশোধনীর মধ্যে ৯৯তম সংশোধনীটি জাতীয় জুডিশিয়াল কমিশন গঠন, যা সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবিধানের ৩২টিরও বেশি সংশোধনীর মধ্যে বেশিরভাগই রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় সংক্রান্ত সংশোধন। যার মধ্যে রয়েছে পুনরায় সংগ্রহিত করা, অঞ্চল স্থানান্তর, সংবিধানে কিছু ভাষার অন্তর্ভুক্তি সহ অন্যান্য সংশোধন।

সংবিধানের ১২তম গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন
সংবিধানের ১২তম সংশোধনীর লক্ষ্য ছিল সংসদ ও রাজ্য আইনসভায় তপশিলী, তপশিলী উপজাতি ও অ্যাংলো -ইন্ডিয়ানদের জন্য সংসদে ও বিধানসভায় সংরক্ষণ, আটটি সংশোধন ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সংরক্ষণ ও অন্য ছয়টি সংশোধন হল পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) সংক্রান্ত।
-
'৪মের পরে তৃণমূলের সব পাপের হিসাব হবে', কোচবিহারের জনসভা থেকে অলআউট আক্রমণে প্রধানমন্ত্রী মোদী -
উত্তরের কোচবিহার দিয়ে নতুন করে বাংলায় ভোটপ্রচার শুরু প্রধানমন্ত্রী মোদীর -
ইরানে নিখোঁজ মার্কিন পাইলট উদ্ধার, 'আমরা উদ্ধার করেছি', সগর্বে ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের -
ফের সপ্তাহান্তেই বঙ্গে ভোটপ্রচারে আসছেন প্রধানমন্ত্রী! পরপর রোড শো, জনসভা করবেন নরেন্দ্র মোদী -
'সবকিছু উড়িয়ে দেব', মঙ্গলবারের ডেডলাইন শেষের আগেই ইরানকে ফের চরম হুঁশিয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের -
সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অডিও ক্লিপ শোনাল কমিশন, কড়া অবস্থান বিচারপতির -
আমেরিকা-ইরানের মধ্যে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে আলোচনা! সাময়িক পরিকল্পনা হলে হরমুজ প্রণালী খুলবে না, জানাল তেহরান -
দিঘায় যাওয়ার গ্রীষ্মকালীন বিশেষ ট্রেন চালুর ঘোষণা রেলের -
ডেথ ওভারে অনবদ্য বোলিং করে গুজরাতের বিরুদ্ধে জয় পেল রাজস্থান, টেবল শীর্ষে পরাগ বাহিনী -
ঋষভ পন্থের ব্যাটে প্রথম জয় পেল লখনউ, ফের হারল হায়দরাবাদ -
আর্টেমিস অভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীরা যোগাযোগ হারাবেন পৃথিবীর সঙ্গে! -
কেরল বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: সমীক্ষায় ইউডিএফের এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস, হারার ইঙ্গিত এলডিএফের











Click it and Unblock the Notifications