কেন লোকসভায় নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ কমপ্লেন দাখিল করল কংগ্রেস?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ কমপ্লেন দাখিল করল কংগ্রেস। লোকসভায় বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। রাহুল গান্ধী ও বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। পরে সেই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেখানেই তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক৷
লোকসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়েছে। স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন পঞ্জাব জলন্ধরের সাংসদ চরণজিৎ সিংহ চান্নি৷ অনুরাগ ঠাকুর সংসদ ভবনের অমর্যাদা করেছেন। আর সেই বক্তব্যকে পরে উৎসাহ দিয়েছেন মোদী।

কিন্তু ঘটনা কী হয়েছিল? বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর গতকাল লোকসভায় বক্তব্য রাখেন। জাত প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ রীতিমতো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে জাত প্রসঙ্গে কটাক্ষ করেন।
বিরোধীরা জাতি গণনার জন্য দাবি তুলছেন সরকারের কাছে৷ সেই নিয়ে লোকসভায় দাবি তোলা হয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে অধিবেশন কক্ষ উত্তপ্ত হতে ওঠে। হই হট্টগোল চলে সংসদে। সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর বক্তব্যের পর সেই বিক্ষোভ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু কি বলেছিলেন অনুরাগ ঠাকুর?
যাদের নিজেদের জাতের ঠিক নেই। তারাই জাতি গণতার দাবি জানাচ্ছে। এই বিতর্কিত মন্তব্য করেন অনুরাগ ঠাকুর। কংগ্রেস ও বিরোধীরা রীতিমতো শোরগোল করতে থাকেন। অনুরাগ ঠাকুরের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেওয়া হয়। তবে এই বিতর্ক আরও বেশি দানা বাঁধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকায়।
অনুরাগ কাশ্যপের বক্তব্য চলা ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ভিডিও শেয়ার করেন। আর তারপরেই আরও ক্ষোভ বেড়েছে কংগ্রেসের৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অনুরাগ ঠাকুরকে সমর্থন করছেন। এমনই বক্তব্য কংগ্রেস নেতাদের।
লোকসভার কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক কে সুরেশ প্রথম মোদীর বিরুদ্ধে নোটিশ আনার বিষয়টি জানান। পরে কংগ্রেস সাংসদ চরণজিৎ সিংহ চাল্লি অভিযোগপত্র জমা দেন। প্রধানমন্ত্রী কি তাহলে শাস্তির মুখে পড়তে পারেন? সেই প্রশ্ন উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications