কেন জরুরি চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ, জেনে নিন কয়েকটি কারণ
গতকালই মন্ত্রিসভা তিন বাহিনীর একক প্রধানের পদের অনুমোদন দিয়েছে। চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ পদটি তৈরির কথা গত ১৫ অগস্টেই ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
গতকালই মন্ত্রিসভা তিন বাহিনীর একক প্রধানের পদের অনুমোদন দিয়েছে। চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ পদটি তৈরির কথা গত ১৫ অগস্টেই ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অবশেষে সেটি বাস্তবায়িত হতে চলেছে। সেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনা এই তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় তৈরির জন্যই পদটি মূলত তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের নেতৃত্বাধীন বিশেষ প্রতিরক্ষা বিষয়ক কমিটিতে থাকবেন এই চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ।

মূলত তিন বাহিনীর রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করবে এই পদটি। তিন বাহিনীর প্রধানের মতোই মর্যাদা এবং বেতন পাবেন তিনি। তবে তিন বাহিনীকে কোনও অভিযানের কমান্ড দেবেন না সিডিএস। অর্থাৎ অভিযানের ক্ষেত্রে কমান্ড দেওয়ার ক্ষমতা তাঁর থাকবে না। তবে বাহিনীর পরিকল্পনা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের বার্তা তিনি দেবেন। একই সঙ্গে অভিযানের রাজনৈতিক কারণ তিন বাহিনীর প্রধানকে সরবরাহ করার দায়িত্ব থাকবে তাঁর উপরে। তিন বাহিনীকে সুসঙ্ঘবদ্ধ ভাবে পরিচালনার কাজে সাহায্য করবেন তিনি।
কার্গিল যুদ্ধের পর ২০০১ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এল কে আদবানী এরকম একটি পদ তৈরির জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীকে রিপোর্ট দিয়েছিলেন। তবে শরিকদের সঙ্গে আলোচনা না করে পদটি অনুমোদন দিতে চায়নি মন্ত্রিসভা। মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই পদটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেয়।












Click it and Unblock the Notifications