Jimmy Carter: প্রয়াত মার্কিন রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টারের নামে আস্ত এক গ্রাম রয়েছে হরিয়ানায়
৩৯ তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার রবিবার প্রয়াত হয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ১০০ বছর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনি সবচেয়ে দীর্ঘায়ু রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। তবে তিনি প্রয়াত হতেই ভারতের হরিয়ানার একটি গ্রাম তাঁর স্মৃতিচারণায় নিমগ্ন হয়েছে। কারণ এই গ্রামটিকে জিমি কার্টারের নামে নামকরণ করা হয়েছিল কার্টারপুরী।
জিমি কার্টারের মৃত্যুর পরে পুত্র চিপ কার্টার বলেছেন, আমার বাবা একজন নায়ক ছিলেন। শুধু আমার কাছে নয়, যাঁরা শান্তি এবং মানবাধিকারে বিশ্বাস করে এমন প্রত্যেকটি মানুষের কাছে তিনি আদর্শ ছিলেন। কার্টারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও।

জরুরি অবস্থার পরে ১৯৭৭ সালে জনতা পার্টি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে ভারত সফর করেন জিমি কার্টার। ভারতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে সেসময় একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে বক্তব্য রাখেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি ছিলেন প্রকৃত ভারত বন্ধু।
১৯৭৮ সালের ৩ জানুয়ারি কার্টার তাঁর স্ত্রী রোজালিনকে নিয়ে দিল্লির অদূরে দৌলতপুর নাসিরাবাদে যান। ভারতের সঙ্গে কার্টারের অন্যরকম যোগাযোগ ছিল। কারণ তাঁর মা লিলিয়ান ষাটের দশকে স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে এই এলাকায় কাজ করে গিয়েছিলেন।
কার্টারের এই নাসিরাবাদ সফরের পরে সেই গ্রামের বাসিন্দারা তাঁর নেমেই গ্রামের নামকরণ করেন কার্টারপুরী। যতদিন হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ছিলেন জিমি কার্টার, ততদিন ওই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল তাঁর।
এমনকী ২০০২ সালে যখন জিমি কার্টার নোবেল শান্তি পুরস্কার পান, তারপর থেকে ৩ জানুয়ারি এই কার্টারপুরীতে ছুটি পালন করা হয়।
ঘটনা হল, জিমি কার্টার রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর থেকেই ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্তি, মানবাধিকার, প্রযুক্তি, মহাকাশ, নৌসেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা, সন্ত্রাসবাদ সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করা শুরু করে।
ইতিহাস এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ভারত এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তার মূল ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয় জিমি কার্টার যখন প্রেসিডেন্ট হন সেই সময়েই। বিশেষ করে ১৯৭১ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন আশ্চর্যজনকভাবে কিছুটা পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে গিয়েছিলেন। যার ফলে দুই দেশের সম্পর্কে একটা অস্থিরতা তৈরি হয়। কিন্তু বুদ্ধিমান কার্টার ক্ষমতায় এসেই ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে গুরুত্ব অনুধাবন করেন। এবং ১৯৭৮ সালের শুরুতেই ভারত সফরে এসে সেই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যান।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications