ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হলে জেডিএসের সমর্থন পাবে কারা? কর্ণাটকে এটাই এখন কোটি টাকার প্রশ্ন
আসন্ন বিধানসভা ভোটে এইচডি কুমারস্বামীর জেডিএস-ই যে কিং-মেকার হতে চলেছে তা একপ্রকার স্পষ্ট আভাস পাওয়া গিয়েছে।
কর্ণাটকে ভোটযুদ্ধে জিততে বিজেপি-কংগ্রেস যেমন মরিয়া যুদ্ধে নেমেছে। তেমনই অন্য দলও পিছিয়ে নেই। সরকার গঠনের মতো অবস্থায় জেডিএস নেই বলেই বিভিন্ন জনমত সমীক্ষায় উঠে এসেছে। তবে আসন্ন বিধানসভা ভোটে এইচডি কুমারস্বামীর জেডিএস-ই যে কিং-মেকার হতে চলেছে তা একপ্রকার স্পষ্ট আভাস পাওয়া গিয়েছে।

বলা হচ্ছে, কর্ণাটকে বিজেপি হোক বা কংগ্রেস, এমনকী অন্য কোনও দল ২২৪টি আসনের মধ্যে ১১৩টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে বিধানসভা ত্রিশঙ্কু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এক্ষেত্রে বিজেপি নাকি কংগ্রেস কারা জেডিএসের সমর্থন পায় তা বড় হয়ে উঠতে পারে।
পরিচিত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ সন্দীপ শাস্ত্রীর সঙ্গে ওয়ানইন্ডিয়া এই বিষয়ে কথা বলেছে। তিনি কর্ণাটক বিধানসভার সম্ভাব্য ফল নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছেন। এছাড়া সমীক্ষায় যা উঠে এসেছে তা নিয়েও নিজের মতামত জানিয়েছেন।
সন্দীপের মতে, জোডিএস কাদের সমর্থন দেবে তা নির্ভর করবে, কারা ক্রিশঙ্কু বিধানসভায় ম্যাজিক ফিগারের কাছাকাছি পৌঁছতে পারে তার উপরে। যে দল ১১৩টি আসনের কাছাকাছি পৌঁছবে জেডিএস তাদের দিকে বেশি ঝুঁকতে পারে। তবে এক্ষেত্রে নির্দল প্রার্থীদের জেতা আসনও মাথায় রাখতে হবে। জেডিএস-এর মতো বড় দলের কাছে আবদার করার চেয়ে আসন জেতা নির্দল প্রার্থীদের মানানো বেশি সহজ কাজ।
বিজেপির সঙ্গে জেডিএস জোট হলে জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে তার প্রাসঙ্গিকতা বিচার হবে। জেডিএস চাইতে পারে রেভান্নাকে উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ দেওয়াতে। যদিও বিজেপি জিতলে মুখ্যমন্ত্রী দলের তরফে বিএস ইয়েদুরাপ্পা হবেন। এমনটাই মনে করছেন সন্দীপ শাস্ত্রী।
তাঁর ব্যাখ্যা, যদি কংগ্রেসের সঙ্গে জেডিএস জোট বাঁধলে তা খুব একটা আশ্চর্যের হবে না। বেঙ্গালুরু পুরসভায় জেডিএস-কংগ্রেস জোট রয়েছে। তবে জেডিএস-এর সবচেয়ে বড় শর্ত হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়ে। জেডিএস চাইবে না সিদ্দারামাইয়া ফের মুখ্যমন্ত্রী হোন। এই পদে অন্য কোনও মুখের পক্ষে জেডিএস সওয়াল করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভোট পরবর্তী জোট কতটা ফলপ্রসূ হবে তা সময়ই বলবে।












Click it and Unblock the Notifications