চরমে দেশের মুদ্রাস্ফীতি, পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১৫.৮৮ শতাংশ
চরমে দেশের মুদ্রাস্ফীতি, পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ১৫.৮৮ শতাংশ
মে মাসে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। ১৫.৮৮ শতাংশ হয়ে গিয়েছে মে মাসে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। এপ্রিল মাসে এটাই ছিল ১৫.০৮ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য দ্বিতীয়বার রেপোরেট বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। কিন্তু তাতেও মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে না। মধ্যবিত্তের কঠিন পরিস্থিতি। সব জিনিসের দাম বাড়তে শুরু করেছে।

রেকর্ড উচ্চতায় পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি
রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। মে মাসে ১৫.৮৮ শতাংশে পৌঁছে গিেয়ছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। এপ্রিল মাসে ১৫.০৮ শতাংশ ছিল পাইকারি মুদ্রাস্ফীতি। হু হু করে বাড়ছে জিনিসের দাম। বার বার রেপোরেট বাড়িয়েও যে মুদ্রাস্ফীতিতে নিয়ন্ত্রণ আনা যাচ্ছে না তা প্রমাণ হয়ে গেল আরও একবার। টানা চার মাস ধরে মুদ্রাস্ফীতি ২ ডিজিটের অঙ্কেই অবস্থান করছে। কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না দেশের মুদ্রাস্ফীতি।

রেপোরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত
ফের রেপোরেট বাড়ানো হতে পারে। এমনই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। এপ্রিল মাসের পর জুন মাসে বাড়ানো হয় রেপোরেট। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনাই মূল উদ্দেশ্য। সেকারণেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপোরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেটা তেমন কার্যকর যে হচ্ছে না সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। উল্টে মধ্যবিত্তের উপরে আরও চাপছে বোঝা। রেপোরেট বাড়ানোর ফলে ইএমআই বেড়েছে।। তার উপরে জিনিসের দাম বাড়ছে। নাভিশ্বাস দশা মধ্যবিত্তের।

জ্বালানি তেলে ভ্যাট কমিয়েও লাভ হল না
পেট্রোল এবং ডিজেল দাম লাগাম ছাড়া হয়ে যাওয়ায় জিনিসের দাম বাড়ছিল। তার জেরে পরিস্থিতি সংকটজনক হয়ে গিয়েছিল। জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে শুল্ক কমিয়েছিল। তারপরে একাধিক রাজ্য ভ্যাট কমিয়ে পেট্রোল ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু তাতে অবস্থার যে কোনও উন্নতি হয়নি তা আবারও স্পষ্ট হয়ে গিেয়ছে পাইকারি মুদ্রাস্ফীিতর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে যাওয়ায়। এতে সবথেকে সংকটের মুখে পড়বেন আম জনতা।

সংকটে অর্থনীতি
দেশের অর্থনীতি যাতে ঘুরে দাঁড়ায় তার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে মোদী সরকার। কিন্তু কোনও পথেই সুরাহা হচ্ছে না। সেকারণে রেপোরেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। একাধিক ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ করা হয়েছে। বিনিয়োগ টানতে মোদী সরকার বিদেশ সফরও করেছে। কিন্তু কিছুতেই দেশের অর্থনীতির হাল ফিরছে না। একের পর এক ক্ষেত্রে ধাক্কা আসছে। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।












Click it and Unblock the Notifications